প্রচলিত ইঞ্জিল বা বাইবেল এ যীশু বা ঈসা মাসীহকে কট্টর বর্ণবাদী ও সাম্প্রদায়িক রূপে চিত্রিত করা হয়েছে

বর্ণবাদী সাম্প্রদায়িক
প্রচলিত ইঞ্জিল বা বাইবেল এ যীশু বা ঈসা মাসীহকে কট্টর বর্ণবাদী ও সাম্প্রদায়িক রূপে চিত্রিত করা হয়েছে

যারা জাতি, ধর্ম বা বংশের জন্য অন্য মানুষকে ঘৃণা বা অবজ্ঞা করেন তাদেরকে বর্ণবাদী ও সাম্প্রদায়িক বলা হয়। আমরা জানি এরূপ করা অন্যায়। একজন সাধারণ নেতাও যদি এরূপ করেন তবে তাকে খারাপ মনে করা হয়। কিন্তু প্রচলিত ইঞ্জিল ঈসা মাসীহকে সাম্প্রদায়িক ও বর্ণবাদী রূপে চিত্রিত করেছে। তিনি তাঁর বারজন শিষ্যকে প্রচার ও মানুষের সেবার নির্দেশ দিয়ে বলেন: ‘‘তোমরা অ-ইহুদীদের (Gentiles: পরজাতিগণের) পথে যেও না এবং সামেরিয়দের (samaritans: শমরীয়দের) কোন নগরে প্রবেশ করো না; বরং ইসরাইল-কুলের হারানো মেষদের কাছে যাও। তোমরা যেতে যেতে এই সুসমাচার তবলিগ কর, ‘বেহেশতী রাজ্য সন্নিকট।’ তোমরা অসুস্থদের সুস্থ করো, মৃতদের উত্থাপন করো, কুষ্ঠ রোগদদেরকে পাক-পবিত্র করো, বদ-রূহে পাওয়া ব্যক্তি ধেকে বদ-রূহ ছাড়ায়ো। তোমার বিনামূল্যে পেয়েছ, বিনামূল্যেই দান করো।’’ (মথি ১০/৬-৮, মো.-১৩)


অন্যত্র তিনি বলেন: ‘‘পবিত্র বস্ত্ত কুকুরদেরকে দিও না এবং তোমাদের মুক্তা শূকরের সম্মুখে ফেলো না; পাছে তারা পা দিয়া তা দলায় এবং ফিরে তোমাদেরকে আক্রমণ করে।’’ (মথি ৭/৬, মো.-১৩)


উপরের বক্তব্য ও এ বক্তব্য একত্রে সমন্বয় করলে প্রতীয়মান হয় যে, অ-ইহুদি ও শমরীয়রা শূকর ও কুকুর হওয়ার কারণেই তাদেরকে পবিত্র ধর্ম ও মূল্যবান উপদেশ ও সেবা দিতে যীশু নিষেধ করলেন। সুসমাচার বা সেবা কিছুই কোনো অ-ইহুদিকে দেওয়া যাবে না। বিনামূল্যে পাওয়া অলৌকিক ক্ষমতা দিয়ে বিনামূল্যে সেবা করতে হবে, তবে শুধুই ইহুুদিদের।
অন্যত্র যীশু সুস্পষ্টভাবেই অ-ইহুদিদেরক কুকুরের সাথে তুলনা করেছেন: ‘‘আর দেখ, ঐ অঞ্চলের এক জন কেনানীয় স্ত্রীলোক এসে এই বলে চেঁচাতে লাগল, হে প্রভু, দাউদ-সন্তান, আমার প্রতি করুণা করুন, আমার কন্যাটাকে বদ-রূহে পেয়েছে এবং অত্যন্ত কষ্ট পাচ্ছে। কিন্তু তিনি তাকে কোনই জবাব দিলেন না। তখন তাঁর সাহাবীরা কাছে এসে তাঁকে নিবেদন করলেন, একে বিদায় করুন, কেননা সে আমাদের পিছনে পিছনে চেঁচাচ্ছে। জবাবে তিনি বললেন, ইসরাইল-কুলের হারানো ভেড়া ছাড়া আর কারো কাছে আমি প্রেরিত হইনি (I am not sent but unto the lost sheep of the house of Israel)। কিন্তু স্ত্রীলোকটা এসে তাঁকে সেজদা করে বললো, প্রভু, আমার উপকার করুন। জবাবে তিনি বললেন, সন্তানদের খাদ্য নিয়ে কুকুরদের কাছে ফেলে দেওয়া ভাল নয় (It is not meet to take the children’s bread, and to cast it to dogs)।’’ (মথি ১৫/২২-২৮, মো.-১৩)


মার্ক বলেন: ‘‘সে তাঁর কাছে ফরিয়াদ করতে লাগল, যেন তিনি তার কন্যার বদ-রূহ ছাড়িয়ে দেন। তিনি তাকে বললেন, প্রথমে সন্তানরা তৃপ্ত হোক, কেননা সন্তানদের খাদ্য নিয়ে কুকুরদের কাছে ফেলে দেওয়া ভাল নয়। কিন্তু স্ত্রীলোকটা জবাবে তাঁকে বললো, হ্যাঁ, প্রভু, আর কুকুরেরাও টেবিলের নিচে ছেলেদের খাদ্যের গুঁড়াগাঁড়া খায়। তখন তিনি তাকে বললেন, তোমার এই জবাবের জন্য, এখন দিয়ে দেখবে, তোমার কন্যার বদ-রূহ ছেড়ে গেছে।’’ (মার্ক ৭/২৫-২৯, মো.-১৩)বাইবেলের বর্ণনানুসারে যীশু এখানে দুটা বিষয় জানিয়েছেন:


প্রথমত: তাঁকে পৃথিবীর সকল মানুষের মুক্তির জন্য প্রেরণ করা হয়নি। তাঁর ইঞ্জিলে পরিত্রাণ, মুক্তি, স্বর্গ-রাজ্য, পাপ-মোচন, সেবা ইত্যাদি বিষয়ে যা কিছু বলা হয়েছে তা সবই শুধু ইসরাইল বংশের মানুষদের জন্য; অন্যদের জন্য নয়।
দ্বিতীয়ত: বনি-ইসরাইলরা ঈশ্বরের সন্তান। অন্য সকল মানুষ কুকুর বৈ কিছুই নয়। সন্তানের খাদ্য যেমন কুকুরকে দেওয়া ঠিক নয়, তেমনি অ-ইসরাইলীয় কোনো মানুষকে মাসীহের দুআ দেওয়াও ঠিক নয়। তবে যদি কোনো অ-ইসরাইলীয় নিজেকে উচ্ছিষ্ট-খেকো কুকুর বলে বিশ্বাস করে তবে সে তাঁর দুআ দ্বারা উপকৃত হতে পারে।
সম্মানিত পাঠক, কোনো নবী কি কোনো মানুষকে তার বংশ বা বর্ণের কারণে কুকুর বলে আখ্যা দিতে পারেন? প্রচলিত ইঞ্জিল সত্যি বলে বিশ্বাস করলে আপনাকে অবশ্যই বিশ্বাস করতে হবে যে, ইসরাইল বংশ ছাড়া অন্য সকল বংশের মানুষ, অর্থাৎ বাঙালি, ভারতীয়, আর্য, অনার্য, আরব, ইরানি ও অন্যান্য জাতির মানুষ কুকুর। তাদেরকে কুকুর বলা যীশু খ্রিষ্টের শিক্ষা। বর্ণ, ভাষা, বংশ বা রক্তের কারণে মানুষকে হেয় করা বা গালি দেওয়া কি অমানবিক ও পাপ নয়? যদি পাপ না হয় তবে আমাদের উচিত যীশুর আদর্শ হিসেবে এরূপ গালিগালাজ, রক্ত, বর্ণ বা বংশের কারণে বৈষম্যমূলক আচরণ ব্যাপকভাবে প্রচলনের জন্য চেষ্টা করা। যীশুর কোনো ভক্ত বা অনুসারী কি এরূপ করতে চাইবেন? যদি তাকে বা তার সামনে অন্য কারো সাথে এরূপ আচরণ করা হয় তবে কি তা ভাল বলে মেনে নেবেন?
গ্যারি ডেভানি ‘যীশুর পাপসমূহ’ (Jesus’ Sins) প্রবন্ধে বলেন:

কোথায় যাচ্ছেন? আরো নতুন কিছু জানার জন্য এই লেখাটি পড়ুনঃ   হিন্দু ধর্মে মূর্তি পূজা নিষিদ্ধ।


“Matthew 15:22-28 A Canaanite woman asked Jesus to heal her daughter. Jesus ignored her. His disciples asked Jesus to send her away. Jesus replied that He was only sent to the lost sheep of Israel (The Jews?) Jesus then said: It is not right to take the food of the children and throw it to the dogs. She appealed to Jesus: Please Lord, even the dogs eat the scraps that fall from their master’s table. Jesus healed her daughter.
What? Did Jesus refer to this woman and her poor, sick daughter as “dogs”? Jesus rejected the woman because she wasn’t an Israelite / Jewish. Then, after the woman groveled like a dog, Jesus healed her daughter. … What defines the characteristics of a name-calling racist? Weren’t Jesus’ initial comments to her those of a stubborn, name-calling racist? How did Jesus respond to the woman before she outright begged Him? Are there self-admitted Christians who are stubborn, name-calling racists? Does this Jesus model inspire Christian racism? I’ll bet that today if Don Imus or any on-camera politician said that to a poor woman and her sick daughter, they would be publicly condemned to be a name-calling racists.”


‘‘মথি ১৫/২২-২৮: একজন কেনানীয় মহিলা তার মেয়েকে সুস্থ করার জন্য যীশুর কাছে আবেদন করেন। যীশু তাকে অগ্রাহ্য করেন। শিষ্যরা তাঁকে অনুরোধ করেন মহিলাকে বিদায় করতে। যীশু উত্তর দেন যে, তিনি শুধু ইসরাইলের মেষপালের (ইহুদিদের?) জন্য প্রেরিত। এরপর যীশু বললেন: সন্তানদের খাদ্য নিয়ে কুকুরদের কাছে ফেলে দেওয়া ঠিক নয়। মহিলা যীশুর কাছে আবেদন করে: প্রভু, দয়া করুন, মালিকের টেবিল থেকে পড়া ঝুটো তো কুকুর খায়। যীশু তার মেয়েকে সুস্থ করলেন!
কী? যীশু কি এ মহিলা ও তাঁর অসহায়-অসুস্থ মেয়েটাকে ‘কুকুর’ বলে আখ্যায়িত করছেন? মহিলাটা ইসরাইলীয় বা ইহুদি নয় বলে তাকে তিনি প্রত্যাখ্যান করছেন? এরপর মহিলা কুকুরের মত পদলেহন করার পরে যীশু তার মেয়েটাকে সুস্থ করলেন। … গালিবাজ বর্ণবাদী ব্যক্তির বৈশিষ্ট্য কিভাবে নির্ধারণ করা হয়? মহিলার প্রতি যীশুর প্রথম মন্তব্যটা কি একজন একগুঁয়ে গালিবাজ বর্ণবাদী ব্যক্তির মন্তব্য নয়? মহিলাটা সরাসরি তাঁর কাছে ভিক্ষা চাওয়ার আগে যীশু কিভাবে তার আবেদনে সাড়া দিলেন? যারা নিজেদেরকে খ্রিষ্টান বলে দাবি করেন তাদের মধ্যে কি এরূপ একগুঁয়ে গালিবাজ বর্ণবাদী কেউ আছেন? যীশুর এ আদর্শ কি খ্রিষ্টান বর্ণবাদ অনুপ্রাণিত করে? আমি বাজি ধরতে পারি যে, যদি (প্রসিদ্ধ কৌতুক আলোচক) ডম ইমাস বা অন্য কোনো রাজনীতিবিদ ক্যামেরার সামনে কোনো দরিদ্র মহিলা এবং তার অসুস্থ মেয়েকে এ কথাগুলো বলেন তবে তাদেরকে প্রকাশ্যে গণভাবে গালিবাজ বর্ণবাদী বলে অভিযুক্ত করা হবে।’’

কোথায় যাচ্ছেন? আরো নতুন কিছু জানার জন্য এই লেখাটি পড়ুনঃ   সূরা ইখলাস তিনবার পড়লে সত্যিই কি এক খতম কুরআন তেলোয়াতের সওয়াব হয়? সূরা ইখলাস কুরআনের এক তৃতীয়াংশের সমান হাদিসটির সঠিক ব্যাখ্যা


কোনো কোনো আধুনিক পাশ্চাত্য গবেষক যীশুর যে সকল বক্তব্য বর্ণবাদী পক্ষপাতদুষ্ট বা সাম্প্রদায়িক বলে গণ্য করেছেন সেগুলোর মধ্যে রয়েছে:
(ক) যীশু বলেন: ‘‘আর যদি সে তাহাদের কথা অমান্য করে, মণ্ডলীকে বল; আর যদি মণ্ডলীর কথাও অমান্য করে, সে তোমার নিকট পরজাতীয় ও করগ্রাহীর তুল্য হউক: (let him be to you as a Gentile and a tax-collector: মো.-০৬: সে যদি জামাতের কথাও না শোনে তবে সে তোমার কাছে অ-ইহুদি বা খাজনা-আদায়কারীর মত হোক)।’’ (মথি ১৮/১৭)
সম্মানিত পাঠক, কেউ যদি আপনাকে বলে ‘‘যে ব্যক্তি অমুক কাজ করবে বা না করবে তাকে তুমি শূদ্র হিসেবে গণ্য করবে এবং তার সাথে সেরূপ আচরণ করবে’’ তাহলে আপনি এ থেকে কী বুঝবেন? আপনি বুঝবেন যে, শূদ্র অচ্ছ্যুৎ, অস্পৃশ্য এবং তাদেরকে এড়িয়ে চলতে হয় তা সকলেই জানে। এ অপরাধীকেও হরিজন বা শূদ্রের মত ঘৃণা করতে হবে ও এড়িয়ে চলতে হবে।
অ-ইহুদিদেরকে ইহুদি ধর্মীয় চেতনায় শূদ্র বা অচ্ছ্যুৎ হিসেবেই গণ্য করা হয়। এজন্য ইহুদি হিসেবে যীশুর কথা স্বাভাবিক, কিন্তু মানবতা ও সর্বজনীনতার বিচারে অনেকে এ কথাটাকে একটা বর্ণবাদী ও সাম্প্রদায়িক বক্তব্য হিসেবে গণ্য করেছেন। কারণ রক্ত, বর্ণ, দেশ, ভাষা বা বংশের কারণে কোনো মানুষকে ঘৃণা, অবজ্ঞা বা অশুচি বলে মনে করা বা এরূপ কোনো কথা বলা বর্ণবাদিতা ও জাতিগত বিদ্বেষ বলে গণ্য।


গ্যারি ডেভানি বলেন: “Aren’t Gentiles human beings of different races? Again, was Jesus a racist? Could Jesus’ advice, right here, have given rise to ‘The Inquisition’ or ‘The Crusades’?” ‘‘অ-ইহুদিরা কি ভিন্ন জাতির মানুষ নন? পুনরায়, যীশু কি জাতিগত বিদ্বেষ প্রচারক বা বর্ণবাদী ছিলেন? ঠিক এখানে যীশু যে নির্দেশনা দিয়েছেন সেটাই কি পরবর্তীতে ‘ইনকুইজিশন’ এবং ক্রুসেডের উত্থান ঘটিয়েছিল?’’


(খ) ‘‘তোমরা যাহা জান না, তাহার ভজনা করিতেছ; আমরা যাহা জানি, তাহার ভজনা করিতেছি, কারণ যিহূদীদের মধ্য হইতেই পরিত্রাণ (for salvation is of the Jews)’’। কি. মো.-১৩: ‘‘তোমরা যা জান না, তার এবাদত করছো; আমরা যা জানি, তার এবাদত করছি, কারণ ইহুদীদের মধ্য দিয়েই নাজাত পাবার উপায় এসেছে। (যোহন/ ইউহোন্না ৪/২২)
অর্থাৎ ইহুদিরা ছাড়া অন্য সকল জাতির মানুষ দুনিয়ায় যেমন অস্পৃশ্য তেমনি পরকালের মুক্তিও ইহুদি জাতির জন্য। আমরা আগেই বলেছি যে, ইহুদি জাতির জাত্যাভিমান থেকে এ কথাটা স্বাভাবিক, কিন্তু সর্বজনীনতা ও মানবতার দৃষ্টিতে এটা জাতিগত বিদ্বেষমূলক কথা হিসেবে গণ্য। এজন্য এ প্রসঙ্গে গ্যারি ডেভানি বলেন:
What? Salvation is documented, Bible C&V, to be a racial thing? Didn’t Jesus make a racial statement? Did Jesus prove to be a racist? Or, did Jesus lie? ‘‘বিষয়টা তাহলে কী হল? বাইবেলের সুস্পষ্ট শ্লোক দ্বারা প্রমাণিত হল যে, পরিত্রাণও একটা বর্ণবাদী বা জাতিবৈষম্যমূলক বিষয়? যীশু কি এখানে একটা বর্ণবাদী বা জাতিবিদ্বেষী বক্তব্য দিলেন না? যীশু কি বর্ণবাদী বলে প্রমাণিত হলেন? না তিনি মিথ্যা বললেন?’’
‘যীশু কি বর্ণবাদী ছিলেন?’ (Was Jesus A Racist?) প্রবন্ধে গ্যারি ডেভানি এ জাতীয় যীশুর কিছু বক্তব্য পর্যালোচনার পর এ বিষয়ে সাধারণ খৃ্স্টান ধর্মগুরু ও ধর্মপ্রচারকদের প্রতিক্রিয়া বর্ণনা করে লেখেছেন:

কোথায় যাচ্ছেন? আরো নতুন কিছু জানার জন্য এই লেখাটি পড়ুনঃ   হিন্দু ধর্মেই চূরান্ত বা শেষ বা সত্য নবী মুহাম্মাদ (স) , ধর্মগ্রন্থ থেকে ভবিষ্যতবাণী ও ব্যাখ্যা এবং দলিল বা রেফারেন্স সহ বিস্তারিত


“Some tend to ignore selective context and to believe with no justification, which is faith. Again, nonsense can never be explained. If we are going to often use faith to replace the factual meanings of the Bible, why use a Bible at all? … Do some believers claim that I am nuts to take issue with their Biblical God and His savior, Jesus Christ? Yes – often with an angry vengeance! I simply did an accurate chapter and verse book report on the Bible. God and Jesus Christ are in it. Verify – in your own Bible – the selected controversial chapters and verses. If I am in error as to what the Bible says in English, I will correct it. What is written in these English words will not go away. Why dislike or condemn any messenger who honestly exposes verifiable facts?”


‘‘অনেকেই নির্বাচিত এ সকল বক্তব্য অগ্রাহ্য করতে চান এবং কোনো যৌক্তিক সমর্থন ছাড়াই যা বিশ্বাস করেন তাই বিশ্বাস করতে চান। পুনরায় বলছি, নির্বুদ্ধিতা কখনোই ব্যাখ্যা করা যায় না। যদি আমরা বাইবেলের বাস্তব ও প্রকৃত অর্থকে বাদ দিয়ে বিশ্বাসের উপরেই নির্ভর করব তবে বাইবেলের প্রয়োজনটা কী? কোনো কোনো বিশ্বাসী কি মনে করেন যে, বাইবেলীয় ঈশ্বর ও তাঁর ত্রাণকর্তা যীশু খ্রিষ্ট বিষয়ে কোনো বিষয় উত্থাপন করার জন্য আমি একেবারেই অযোগ্য? হ্যাঁ। অধিকাংশ সময় ক্রুদ্ধ প্রতিহিংসা ও বিদ্বেষসহ। আমি তো একান্তই বাইবেলের বক্তব্যগুলো অধ্যায় ও শ্লোক নম্বরসহ উদ্ধৃত করছি। এগুলোর মধ্যেই ঈশ্বর ও যীশু খ্রিষ্ট বিদ্যমান। আপনার নিজের বাইবেলের মধ্যেই নির্বাচিত বিতর্কিত অধ্যায় নির্ধারিত এ শ্লোকগুলো যাচাই করুন। ইংরেজিতে বাইবেল যা বলেছে তা উদ্ধৃত করতে আমার যদি ভুল হয় তবে আমি তা সংশোধন করব। ইংরেজি শব্দে যা কিছু লেখা হয়েছে তা তো পালিয়ে যাবে না। যে বার্তাবাহক বিশ্বস্ততার সাথে যাচাইযোগ্য তথ্যগুলো প্রকাশ করছে তাকে অপছন্দ বা নিন্দা করছেন কেন?’’

 

MuslimPoint Organization

About MuslimPoint Organization

MuslimPoint একটি অনলাইন ভিত্তিক ইসলামী প্রশ্নোত্তর, গ্রন্থাগার, ব্লগিং, কুরআন, হাদিস, কুইজ এবং বিষয় ভিত্তিক রেফারেন্স প্ল্যাটফর্ম।

View all posts by MuslimPoint Organization →

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *