হিন্দু ধর্মে মূর্তি পূজা নিষিদ্ধ।

হিন্দু ধর্মে মূর্তিপূজা নিষিদ্ধ
হিন্দু ধর্মে মূর্তি পূজা নিষিদ্ধ।

১) ঈশ্বর মাত্র একজন; দ্বিতীয় কেউ নেই।
ছান্দগ্য উপনিষদের: অধ্যায় ০৬ অনুঃ ২ পরিঃ ০১।
২) সবশক্তিমান ঈশ্বরের কোন বাবা মা নেই। তার কোন প্রভু নেই। তার চেয়ে বড় কেউ নেই।
শ্বেতাসত্র উপনিষদের: অধ্যায় ০৬ অনুঃ ০৯।
৩) তারা অন্ধকারে নিমজ্জিত আছে; যারা প্রাকৃতিক বন্তুর পূঁজা করে। যেমনঃ আগুন, গাছ, সাপ ইত্যাদি।
যযুবেদ অধ্যায় ৪০ অনুঃ ০9
৪) সবশক্তিমান ঈশ্বরের মত কেউ নেই ( তার কোন প্রতিমূর্তি নেই, প্রতিমা নেই, রুপক নেই, ভাস্কর্য নেই)।
শ্বেতাসত্র উপনিষদের: অধ্যায় ০৪ অনুঃ ১৯।
৫) সবশক্তিমান ঈশ্বরকে কেউ দেখতে পাই না।
শ্বেতাসত্র উপনিষদের: অধ্যায় ০৪ অনুঃ ১০ পরিঃ ২০।
৬) যাদের বিচার বুদ্ধি কেড়ে নিয়েছে জাগতিক আকাঙ্খা তারাই অপদেবতার পূজা করে।
ভগবত গীতা : অধ্যায় ০৭ অনুঃ ২০।
৭) লোকে জানে আমি কখনও জন্মাইনি ও উদ্ভূত হয়নি; আমি এই বিশ্বজগতের সবময় প্রভু
ভগবত গীতা : অধ্যায় ১০ অনুঃ ০৩।
৮) সবশক্তিমান ঈশ্বরের কোন মূর্তি নেই।
যযুবেদ অধ্যায়ঃ ৩২ অনুঃ ০৩
৯) তারা আরো বেশি অন্ধকারে নিমজ্জিত আছে; যারা মানুষের তৈরী বস্তুর পূঁজা করে। যেমন- মাটির পতুল, ভাস্কর্য ইত্যাদি।
যযুবেদ অধ্যায় ৪০ অনুঃ ০9
১০) সৃষ্টিকর্তা সুমহান
গ্রন্থঃ ২০ খন্ডঃ ৫৮ মন্ত্রঃ ৩।
১১) সত্য একটাই; ঈশ্বর একজনই, জ্ঞানীরা ইশ্বরকে ডেকে থাকেন অনেক নামে।
ঋগবেদের গ্রন্থঃ ০১ অনুঃ ৬৪ পরিঃ ৪৬।
১২) সবশক্তিমান ঈশ্বর নিরাকার ও পবিত্র।
যযুবেদ অধ্যায় ৪০ অনুঃ ০৮।
১৩) ঈশ্বর বাদে আর কারো উপাসনা কর না; শুধুমাত্র তার উপসনা কর যিনি সুমহান ঈশ্বর।
ঋগবেদ গ্রন্থঃ ০৮ খন্ডঃ ০১ মন্ত্রঃ ০১।
আর ব্রক্ষাসূত্র বলেঃ ঈশ্বর মাত্র একজনই; দ্বিতীয় কউ নেই। কেউ নেই, কেউ নেই আর কেউ কখনও ছিলোও না।


যজুর্বেদ ৩২/৩, মহর্ষির ভাষ্য সহিত

কোথায় যাচ্ছেন? আরো নতুন কিছু জানার জন্য এই লেখাটি পড়ুনঃ   ইসলাম ও হিন্দু ধর্মের সাদৃশ্য বা মিল ,ব্যাখ্যা এবং দলিল বা রেফারেন্স সহ বিস্তারিত

যজুর্বেদ ৩২/৩, মহর্ষির ভাষ্য সহিত

ন তস্য প্রতিমা অস্তি য়স্য নাম মহদ্ য়শঃ।
হিরণ্যগর্ভ ইত্যেষ মা মা হিংসীদিত্যেষা য়স্মান্ন জাত ইত্যেষঃ।।

অনুবাদ: যাঁর মহান প্রসিদ্ধ যশ রয়েছে সেই পরমাত্মার কোনো প্রতিমা নেই। “হিরণ্যগর্ভ” আদি মন্ত্রে, “মা মা হিংসীত্” এই মন্ত্রে ও “য়স্মান্ন জাত” এই মন্ত্রে সেই পরমাত্মার বর্ণন রয়েছে।
মহর্ষির ভাষ্য “ন নিষেধে তস্য পরমেশ্বরস্য প্রতিমা প্রতিমীয়তে য়য়া তৎপরিমাপকং সদৃশং তোলনসাধকং প্রকৃতিরাকৃতিরবা অস্তি বর্ততে” অর্থাৎ সেই পরমেশ্বরের তুল্য পরিমাণ সদৃশ সাধক প্রতিকৃতি বা মূর্তি কিছুই নেই।
সম্প্রদায়বাদী সেই গোঁড়াদের দাবি এই মন্ত্রে প্রতিমা শব্দ দ্বারা নাকি মূর্তিকে বোঝায় নি, কেবল উপমা বা তুলনা অর্থে বুঝিয়েছে। তাদের দাবি পুরাতন ভাষ্যকাররা নাকি এমন কোনো অর্থ করে যাননি, মহর্ষি দয়ানন্দই কেবল এই অর্থ করেছেন।
বেশ দেখুন তাদের আদরণীয় উবট ও মহিধর কি ভাষ্য করেছে,

ন তস্য প্রতিমা অস্তি য়স্য নাম মহদ্ য়শঃ।

যজুর্বেদ ৩২/৩, উবট ও মহিধর ভাষ্য সহিত

“ন তস্য পুরুষস্য প্রতিমা প্রতিমানভূতং কিঞ্চিদ্বিদ্যতে”(উবট)
এবং
“তস্য পুরুষস্য প্রতিমা প্রতিমানমুপমানং কিঞ্চিদ্বস্তু নাস্তি”(মহিধর)

অর্থাৎ সেই পুরুষের প্রতিমা, তুলনা বা উপমা কিছুই নেই।

উভয়েই বলছেন প্রতিমা নেই।
এই মন্ত্র দ্বারা যেমন প্রমাণ হয় ঈশ্বরের তুল্য কিছু নেই, তেমনি তাঁর প্রতিমা বা মূর্তি নেই। প্রতিমা অর্থ যে মূর্তি হয় তা মানতে নারাজ পণ্ডিতম্মন্যরা। মূর্তি শব্দ অবৈদিক দেখে বেদে মূর্তি শব্দ নেই, সে স্থলে আছে প্রতিমা। প্রতিমা অর্থ যে মূর্তি তা বৈদিক কোষেও উল্লেখিত আছে।

ন তস্য প্রতিমা অস্তি য়স্য নাম মহদ্ য়শঃ।

দেখা যায় প্রতিমা=উপমা দেখাতে তারা সাধারণ বাংলা অভিধান ইউজ করে৷ অথচ একটি বিখ্যাত প্রাচীন অভিধান অমরকোষ এ প্রতিমার ৮ প্রতিশব্দ আছে যা মূর্তি নির্দেশ করে৷ অমরকোষ ২.১০.৩৫
প্রতিমানং প্রতিবিম্বং প্রতিমা প্রতিয়াতনা প্রতিচ্ছায়া।
প্রতিকৃতিরর্চা পুংসি প্রতিনিধিরুপমোপমানং স্যাত্।।

ন তস্য প্রতিমা অস্তি য়স্য নাম মহদ্ য়শঃ।

চলুন বৈদিক ঈশ্বরের সাকার নিরাকার কি আকার সে নিয়ে বেদ উপনিষদ কি বলে তা দেখে নিই:
যজুর্বেদ ৪০/৮ বলছে ঈশ্বর অকায়ম(সর্বপ্রকার শরীররহিত)

কোথায় যাচ্ছেন? আরো নতুন কিছু জানার জন্য এই লেখাটি পড়ুনঃ   হিন্দু বা সনাতন ধর্মের মূল গ্রন্থ গুলোর নাম ও পরিচিতি সহ বিস্তারিত বিবরণ

যজুর্বেদ ৪০/৮ বলছে ঈশ্বর অকায়ম(সর্বপ্রকার শরীররহিত)

আচার্য শঙ্করের ভাষ্য দেখুন, তিনিও বলছেন সেই আত্মা(পরমাত্মা) স্থুল, সূক্ষ্ম শরীর বিবর্জিত

ঈশ উপনিষদ ৮, শঙ্কর ভাষ্য

ঈশ উপনিষদ ৮, শঙ্কর ভাষ্য

এবার তাহলে প্রশ্ন রইল, যার কোনো শরীরই নেই তাঁর মূর্তি বা প্রতিমা আপনারা কিভাবে তৈরি করবেন? 

শ্বেতাশ্বতর উপনিষদও বলছে, “তাঁর কোনও প্রতিরূপ বা প্রতিমা নেই”(৪/১৯) এবং “সনাতনের কোন রূপ নেই যা চক্ষুর গোচর হয়, দৃষ্টির দ্বারাও তাঁকে কেও দেখে না”(৪/২০)

কঠ উপনিষদেও ১/২/২২ এ বলা হচ্ছে ব্রহ্ম প্রাণীগণের শরীরে থেকেও শরীর রহিত

কঠ উপনিষদেও ১/২/২২ এ বলা হচ্ছে ব্রহ্ম প্রাণীগণের শরীরে থেকেও শরীর রহিত

কঠ উপনিষদের ১/৩/১৫ তে আরও বলা হয়েছে, পরমাত্মা অরূপম বা রূপহীন, কেবল সেই পরমাত্মাকে উপলব্ধি করতে পারলেই মৃত্যুর হাত থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে।

শ্বেতাশ্বতর উপনিষদ ৩/১০-এও একই কথা বলা হয়েছে।

শ্বেতাশ্বতর উপনিষদ ৩/১০-এও একই কথা বলা হয়েছে।

একই কথা বলছে তৈত্তিরীয় উপনিষদের ব্রহ্মানন্দবল্লীর সপ্তম অনুবাক

একই কথা বলছে তৈত্তিরীয় উপনিষদের ব্রহ্মানন্দবল্লীর সপ্তম অনুবাক

মুণ্ডক উপনিষদ ২/১/২ তো বলেই দিচ্ছে, সেই দিব্য পুরুষ অমূর্ত বা মূর্তিহীন সেই পরমেশ্বরের মূর্তি তো দূরে থাক,

মুণ্ডক উপনিষদ ২/১/২ তো বলেই দিচ্ছে, সেই দিব্য পুরুষ অমূর্ত বা মূর্তিহীন
সেই পরমেশ্বরের মূর্তি তো দূরে থাক, 
শ্বেতাশ্বতর উপনিষদ ৬/৯ বলছে সেই ঈশ্বরের কোনও চিহ্নবিশেষও নেই
 
শ্বেতাশ্বতর উপনিষদ ৬/৯ বলছে সেই ঈশ্বরের কোনও চিহ্নবিশেষও নেই
শ্বেতাশ্বতর উপনিষদ ৬/৯ বলছে সেই ঈশ্বরের কোনও চিহ্নবিশেষও নেই
 
 

১. না তাস্তে প্রাতীমা আস্থি ( যজুর্বেদ ৩২ অধ্যায় ৩ নং অনুচ্ছেদ )
অর্থাৎ ঈশ্বরের কোন প্রতি মূর্তি নেই ।

“যাদের মন ঝড় কামনা বাসনার ধারা বিক্ষিপ্ত/বিকৃত তারা অন্য দেব দেবীর স্মরনাগত হয় এবং তাদের সেই স্বভাব অনুসারে নিয়ম পালন করে দেবতাদের উপাসনা করে।” (গীতার সপ্তম অধ্যের ২০ নাম্বার শ্লোক)

গীতার সপ্তম অধ্যের ২০ নাম্বার শ্লোক

২. যারা নিজের বিবেক বুদ্ধি হারিয়েছে তাঁরাই মূর্তি পূজা করে ( ভগবৎ গীতা অধ্যায় ৭, অনুচ্ছেদ ২০ নম্বর ) ।
রেফারেন্স সহ দিলাম ।
৩. হিন্দুরা অনেক দেব দেবির পুজা করলেও হিন্দু ধর্ম গ্রন্থ গুলোতে হিন্দুদের কেবল মাত্র এক জন ইশ্বরের উপাসনা করতে বলা হয়েছে॥
বেদের ‘ব্রহ্ম সুত্র’ তে আছে “একম ব্রহ্মা দ্বৈত্য নাস্তি নহিনা নাস্তি কিঞ্চন” অর্থাৎ ইশ্বর এক তার মত কেউ নেই কেউ নেই সামান্যও নেই । আরও আছে “সে একজন তারই উপাসনা কর” (ঋকবেদ ২;৪৫;১৬)।
“একম এবম অদ্বৈত্তম” অর্থাৎ সে একজন তাঁর মত আর দ্বিতীয় কেউ নেই (ঋকবেদ ১;২;৩) ।
“এক জনেই বিশ্বের প্রভু” (ঋকবেদ ১০;১২১;৩) ।
৪. হিন্দু ধর্মে মুর্তি পুজা করতে নিষেধ করা হয়েছে॥
ভগবত গীতা – অধ্যায় ৭ – স্তব ২০ – [ যাদের বোধশক্তি পার্থিব আকাঙক্ষার মাধ্যমে বিলুপ্ত হয়ে গেছে শুধু তারাই উপদেবতার নিকটে উপাসনা করে। ]
৫. ভগবত গীতা – অধ্যায় ১০ – স্তব ৩ –
[ তারা হচ্ছে বস্তুবাদি লোক ,তারা উপদেবতার উপাসনা করে ,তাই তারা সত্যিকার স্রস্টার উপাসনা করে না।]
৬. যজুর্বেদ – অধ্যায় ৪০- অনুচ্ছেদ ৯ –
[ অন্ধতম প্রভিশান্তি ইয়ে অশম্ভুতি মুপাস্তে – যারা অশম্ভুতির পুজা করে তারা অন্ধকারে নিমজ্জিত হয়। তারা অধিকতর অন্ধকারে পতিত হয় শাম মুর্তির পুজা করে । অশম্ভুতি হল – প্রাকৃতিক বস্তু যেমন- বাতাস,পানি,আগুন । শাম মুর্তি হল – মানুষের তৈরী বস্তু যেমন – চেয়ার ,টেবিল ,মূর্তি ইত্যাদি।]
এরকম আরো অনেক রেফারেন্স আছে যেখানে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ভাবে স্পষ্ট বলা হয়েছে যে হিন্দু ধর্মে মূর্তি পূজা নিষিদ্ধ।
জানি , হিন্দুরা মূর্তি দিয়ে পূজা নিষিদ্ধের এইসব কথা বা রেফারেন্স কখনো মানতে চাইবে না , একটা কথা , যে জেগে জেগে ঘুমায় , তাকে ঘুম থেকে জাগানো খুব কঠিন ।

কোথায় যাচ্ছেন? আরো নতুন কিছু জানার জন্য এই লেখাটি পড়ুনঃ   কুরআন ও বাইবেল থেকে , এক ঈশ্বরের প্রমাণ ও যীশু বা ঈসা (আ) এর ঈশ্বরত্ব বা ঈশ্বরের পুত্র বা ত্রিত্ববাদ বিষয়ক খ্রিস্টানদের মিথ্যাচার বা ভুল ভ্রান্তি বা তাদের দাবি খন্ডন

25 Comments on “হিন্দু ধর্মে মূর্তি পূজা নিষিদ্ধ।”

  1. গীতা অধ্যায় ৭ অনুচ্ছেদ ২০ এ বলা হয়েছে যারা নিজেদের বিবেকবুদ্ধি হারিয়েছে, তারাই নাকি মূর্তিপুজা করে।
    জবাবঃ
    মূল মন্ত্রটি হলো জড় কামনা-বাসনার দ্বারা যাদের জ্ঞান অপহৃত হয়েছে, তারা অন্য দেব-দেবীর শরণাগত হয় এবং তাদের স্বীয় স্বভাব অনুসারে বিশেষ নিয়ম পালন করে দেবতাদের উপাসনা করে। লক্ষ্য করি, এখানে মূর্তিপুজার কোনো কথাই নেই, আছে দেবোপসনার কথা যেটাকে জাকির নায়েকের অনুসারীরা মূর্তিপুজা বানিয়ে ফেলেছে। আমরা জানি, গীতা হলো শ্রীকৃষ্ণের বাণী। আর একমাত্র শ্রীকৃষ্ণই ঈশ্বরের পূর্ণ অবতার, অন্যান্য দেবদেবী হলেন আংশিক অবতার। তাই শ্রীকৃষ্ণ মানুষকে অন্য দেবদেবীর উপাসনা না করে তারই উপাসনা করতে বলেছেন। তাই হিন্দুদের মধ্যে ইস্কন সম্প্রদায়কে দেখা যায়, যারা শুধুমাত্র শ্রীকৃষ্ণের আরাধনা করে। আর যারা ভগবান শ্রীকৃষ্ণের আরাধনা করেন, তারাও কিন্তু মূর্তিপুজাই করেন। কিন্তু এই দেবোপসনা যে বৃথা নয়, তা ২১ ও ২২ নং মন্ত্রেই আছে। জাকির নায়েকের অনুসারীরা ইচ্ছা করেই পরের মন্ত্রগুলো বাদ দেয় যেন তাদের মিথ্যাচার ধরা না পড়ে।
    আসুন গীতা ৭ম অধ্যায় অনুচ্ছেদ ২০,২১ ও ২২ এ কি বলা হয়েছে দেখে নিই।

    কামৈস্তৈস্তৈর্হৃতজ্ঞানাঃ প্রপদ্যন্তেহন্যদেবতাঃ।
    তং তং নিয়মমাস্থায় প্রকৃত্যা নিয়তাঃ স্বয়া।।২০।।
    অনুবাদঃ জড় কামনা-বাসনার দ্বারা যাদের জ্ঞান অপহৃত হয়েছে, তারা অন্য দেব-দেবীর শরণাগত হয় এবং তাদের স্বীয় স্বভাব অনুসারে বিশেষ নিয়ম পালন করে দেবতাদের উপাসনা করে।

    যো যো যাং তনুং ভক্তঃ শ্রদ্ধয়ার্চিতুমিচ্ছতি।
    তস্য তস্যাচলাং শ্রদ্ধাং তামেব বিদধাম্যহম্।।২১।।
    অনুবাদঃ পরমাত্মরূপে আমি সকলের হৃদয়ে বিরাজ করি। যখনই কেউ দেবতাদের পূজা করতে ইচ্ছা করে, তখনই আমি সেই সেই ভক্তের তাতেই অচলা শ্রদ্ধা বিধান করি।

    স তয়া শ্রদ্ধয়া যুক্তস্তস্যারাধনমীহতে।
    লভতে চ ততঃ কামান্ময়ৈব বিহিতান্ হি তান্।।২২।।
    অনুবাদঃ সেই ব্যক্তি শ্রদ্ধাযুক্ত হয়ে সেই দেবতার আরাধনা করেন এবং সেই দেবতার কাছ থেকেই আমারই দ্বারা বিহিত কাম্য বস্তু অবশ্যই লাভ করেন।

    1. আপনি মনে হয় শুধু অনুবাদটাই পড়েছেন । ব্যাখ্যা বা Commentary টা পড়েন নাই । যাই হোক আসুন প্রথম থেকে একটা একটা বিষয় নিয়ে আলোচনা করি । যাতে আপনি বা আমি বা অন্যরা সত্যটা জানতে পারে । প্রথম থেকে শুরু করি । অন্য বিষয়ে বা অন্য দিকে এখন যাবেন না আশা করি ।

      প্রথম পয়েন্ট ঃ না তাস্তে প্রাতীমা আস্থি ( রীগ বেদ ৩২ অধ্যায় ৩ নং অনুচ্ছেদ )
      অর্থাৎ ঈশ্বরের কোন প্রতি মূর্তি / ছবি নেই ।

      এটা আপনি আগে খন্ডন করেন । আপনি আপনার পক্ষ থেকে যুক্তি দেন তারপর আমি দিবো । এই পয়েন্ট এর আলোচনা শেষ হলে তারপর পরের পয়েন্ট এ যাবো । আশা করি বুঝতে পেরেছেন ।

      1. রীগবেদ অধ্যায় ৩২ অনুচ্ছেদ ৩ কোথায় পেয়েছেন? বানানও ভুল লিখেছেন। ঋগ্বেদে আছেই ১০ টি মন্ডল বা অধ্যায়, তার উপর প্রতিটি মন্ডল খন্ড/সুক্ত ও মন্ত্রে বিন্যস্ত। তাহলে ঋগ্বেদ ৩২ অধ্যায় ৩ নং অনুচ্ছেদ কি?

        1. আপনি মূল পয়েন্টে কথা বলুন । কারোর টাইপিং এ ভুল হওয়া দোষের কিছু নয় । আরে ভাই ভুল আমিও ধরতে পারি । আপনার ১ লাইন লেখাতে ৪ টি ভুল আছে । বলবো ?
          যেমন :

          ১) আপনি লিখেছেন : ঋগ্বেদ ১০ টি অধ্যায় আছে।
          জবাব : এটা চরম অজ্ঞতা , ঋগ্বেদে কোন অধ্যায়ই নেই । ঋগ্বেদে আছে ১০ টি মন্ডল। ঋগ্বেদে অধ্যায়ে বিভক্ত হয়নি মন্ডলে বিভক্ত হয়েছে।

          ২) আপনি লিখেছেন : প্রতিটি অধ্যায়ে আবার সুক্ত/খন্ড ও মন্ত্রে বিন্যস্ত

          জবাব : আরে ভাই ,
          ঋগ্বেদ তিন ভাবে বিভক্ত ১) মন্ডল ২) সুক্ত ৩) ঋক
          আপনি অধ্যায় এবং খন্ড ঋগ্বেদে সংহিতায় কোথায় পেলেন ? ওটা খন্ড নয় সুক্ত হবে।

          ৩) আপনি লিখেছেন : ‘ঋগ্বেদ’

          জবাব : আসলে আপনি গ্রন্থটির সম্পূর্ণ নামটিই জানেন না , সম্পূর্ণ নাম হলো “ঋগ্বেদ সংহিতা’

          ৪) আপনি বলেছেন ঋগ্বেদে মন্ত্র আছে।

          জবাব : ঋগ্বেদে ভার্স গুলোকে মন্ত্র বলে না। এগুলো কে “ঋক” বলে।

          ঋগ্বেদ সংহিতা গ্রন্থের চারটি স্তর আছে যথা: “সংহিতা”, “ব্রাহ্মণ”, “আরণ্যক” ও “উপনিষদ্”।  

          ঋগ্বেদ সংহিতা অংশটি হল এই গ্রন্থের মূল অংশ। এই অংশে দশটি “মণ্ডল”-এ ১,০২৮টি “সূক্ত” সংকলিত হয়েছে এবং সব ক’টি সূক্তে মোট মন্ত্রগুলিকে “ঋক” বলা হয়, যার নামকরণ “ঋগ্বেদ” নামের অনুসারে করা হয়েছে সংখ্যা ১০,৫৫২। 

          1. আমারও তো একই প্রশ্ন, আপনি নিজেই বললেন ঋগ্বেদে কোনো অধ্যায় নেই, তাহলে রেফারেন্সে কেন রীগবেদ অধ্যায় ৩২ লিখলেন?

          2. জি রেফারেন্সে ভুল হয়েছিলো । ওটা হবে যজুর্বেদ অধ্যায় ৩২ অনুচ্ছেদ ৩ । এখন দেখুন , পোষ্ট থেকে আগের রেফারেন্স টি সরিয়ে দেওয়া হয়েছে । আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ । যজুর্বেদ অধ্যায় ৩২ অনুচ্ছেদ ৩ নিয়ে কোন সমস্যা থাকলে আমাদের জানাবেন ।

        2. জি আপনার কথা বুঝতে পেরেছি । আমরা একটু যাচাই করে দেখি । যদি আপনার কথা ঠিক হয় তাহলে পোষ্ট টি আবারো এডিট করে ভুল রেফারন্স গুলো বাদ দেওয়া হবে । অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে ।

          1. যজুর্বেদ অধ্যায় ৪০ এর শুধু মন্ত্র ৯ কেন দিলেন? ১০ ও ১১ নং মন্ত্র পড়েন।
            আর ঋগ্বেদ ৮/১/১ এ বলেছে ইন্দ্র ছাড়া অন্য কারো স্তুতি করো না, আপনি ঈশ্বর কোথায় খুঁজে পেলেন সেখানে?

        3. জি রেফারেন্সে ভুল হয়েছিলো । ওটা হবে যজুর্বেদ অধ্যায় ৩২ অনুচ্ছেদ ৩ । এখন দেখুন , পোষ্ট থেকে আগের রেফারেন্স টি সরিয়ে দেওয়া হয়েছে । আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ । যজুর্বেদ অধ্যায় ৩২ অনুচ্ছেদ ৩ নিয়ে কোন সমস্যা থাকলে আমাদের জানাবেন ।

    2. ভাই, গীতা ৭ম অধ্যায় অনুচ্ছেদ এর শ্লোক ২০,২১ ও ২২ দিলেন কিন্তু শ্লোক ২৩ তো দিলেন না
      শ্লোক ২৩ এ কি বলা আছে দেখুন

      শ্লোক: ২৩
      অন্তবত্তু ফলং তেষাং তদ্ ভবত্যল্পমেধসাম্ ।
      দেবান্ দেবযজো যান্তি মদ্ভক্তা যান্তি মামপি ॥
      অন্তবৎ, তু, ফলম্, তেষাম্, তৎ, ভবতি, অল্পমেধসাম্,
      দেবান্, দেবযজঃ, যান্তি, মদ্-ভক্তাঃ, যান্তি, মাম্, অপি

      অনুবাদ : অল্পবুদ্ধি ব্যক্তিদের আরাধনা লব্ধ সেই ফল অস্থায়ী। দেবোপাসকগণ দেবলোক প্রাপ্ত হন, কিন্তু আমার ভক্তেরা আমার পরম ধাম প্রাপ্ত হন।

    3. Anonymous ভাই, গীতা ৭ম অধ্যায় অনুচ্ছেদ এর শ্লোক ২০,২১ ও ২২ দিলেন কিন্তু শ্লোক ২৩ তো দিলেন না
      শ্লোক ২৩ এ কি বলা আছে দেখুন

      শ্লোক: ২৩
      অন্তবত্তু ফলং তেষাং তদ্ ভবত্যল্পমেধসাম্ ।
      দেবান্ দেবযজো যান্তি মদ্ভক্তা যান্তি মামপি ॥
      অন্তবৎ, তু, ফলম্, তেষাম্, তৎ, ভবতি, অল্পমেধসাম্,
      দেবান্, দেবযজঃ, যান্তি, মদ্-ভক্তাঃ, যান্তি, মাম্, অপি

      অনুবাদ : অল্পবুদ্ধি ব্যক্তিদের আরাধনা লব্ধ সেই ফল অস্থায়ী। দেবোপাসকগণ দেবলোক প্রাপ্ত হন, কিন্তু আমার ভক্তেরা আমার পরম ধাম প্রাপ্ত হন।

  2. বড়ো বড়ো সনাতনের জ্ঞানিরা বলেছেন প্রতিমা পূজা ভুল আর তোরা কি ভাবে বলছিস? শাক দিয়ে মাছ ঢাকা যায় না বুঝলি

  3. এই লোক তো ভূলভাল রেফারেন্স দিয়েছে। সঠিক রেফারেন্স লাগবে তোর সনাতন‌ ধর্মের প্রতিমা পূজার বিরুদ্ধে?

    1. ” Orlovage ” ভাই এতো কঠোর ভাবে কথা বলার দরকার কি ? একটু ভালভাবে কথা বললে তো কোন ক্ষতি নেই তাই না ? যিনি মূর্তি পূজার পক্ষে তিনি খারাপ ব্যবহার করেন নি । তিনি তার যুক্তি পেশ করেছে । আপনি আপনার টা পেশ করুন ।

      আর আল্লাহ্‌কে ছেড়ে যাদেরকে তারা ডাকে তাদেরকে তোমার গালি দিও না। কেননা তারা সীমালংঘন করে অজ্ঞানতাবশতঃ আল্লাহকেও গালি দেবে . (6:108)

    2. জি রেফারেন্সে ভুল হয়েছিলো । ওটা হবে যজুর্বেদ অধ্যায় ৩২ অনুচ্ছেদ ৩ । এখন দেখুন , পোষ্ট থেকে আগের রেফারেন্স টি সরিয়ে দেওয়া হয়েছে । । আর কোনটা ভুল রেফারেন্স থাকলে জানাবেন ।

  4. Some new reference is added to this post . Please Check it out .

    ১) ঈশ্বর মাত্র একজন; দ্বিতীয় কেউ নেই।
    ছান্দগ্য উপনিষদের: অধ্যায় ০৬ অনুঃ ২ পরিঃ ০১।
    ২) সবশক্তিমান ঈশ্বরের কোন বাবা মা নেই। তার কোন প্রভু নেই। তার চেয়ে বড় কেউ নেই।
    শ্বেতাসত্র উপনিষদের: অধ্যায় ০৬ অনুঃ ০৯।
    ৩) তারা অন্ধকারে নিমজ্জিত আছে; যারা প্রাকৃতিক বন্তুর পূঁজা করে। যেমনঃ আগুন, গাছ, সাপ ইত্যাদি।
    যযুবেদ অধ্যায় ৪০ অনুঃ ০9
    ৪) সবশক্তিমান ঈশ্বরের মত কেউ নেই ( তার কোন প্রতিমূর্তি নেই, প্রতিমা নেই, রুপক নেই, ভাস্কর্য নেই)।
    শ্বেতাসত্র উপনিষদের: অধ্যায় ০৪ অনুঃ ১৯।
    ৫) সবশক্তিমান ঈশ্বরকে কেউ দেখতে পাই না।
    শ্বেতাসত্র উপনিষদের: অধ্যায় ০৪ অনুঃ ১০ পরিঃ ২০।
    ৬) যাদের বিচার বুদ্ধি কেড়ে নিয়েছে জাগতিক আকাঙ্খা তারাই অপদেবতার পূজা করে।
    ভগবত গীতা : অধ্যায় ০৭ অনুঃ ২০।
    ৭) লোকে জানে আমি কখনও জন্মাইনি ও উদ্ভূত হয়নি; আমি এই বিশ্বজগতের সবময় প্রভু
    ভগবত গীতা : অধ্যায় ১০ অনুঃ ০৩।
    ৮) সবশক্তিমান ঈশ্বরের কোন মূর্তি নেই।
    যযুবেদ অধ্যায়ঃ ৩২ অনুঃ ০৩
    ৯) তারা আরো বেশি অন্ধকারে নিমজ্জিত আছে; যারা মানুষের তৈরী বস্তুর পূঁজা করে। যেমন- মাটির পতুল, ভাস্কর্য ইত্যাদি।
    যযুবেদ অধ্যায় ৪০ অনুঃ ০9
    ১০) সৃষ্টিকর্তা সুমহান
    গ্রন্থঃ ২০ খন্ডঃ ৫৮ মন্ত্রঃ ৩।
    ১১) সত্য একটাই; ঈশ্বর একজনই, জ্ঞানীরা ইশ্বরকে ডেকে থাকেন অনেক নামে।
    ঋগবেদের গ্রন্থঃ ০১ অনুঃ ৬৪ পরিঃ ৪৬।
    ১২) সবশক্তিমান ঈশ্বর নিরাকার ও পবিত্র।
    যযুবেদ অধ্যায় ৪০ অনুঃ ০৮।
    ১৩) ঈশ্বর বাদে আর কারো উপাসনা কর না; শুধুমাত্র তার উপসনা কর যিনি সুমহান ঈশ্বর।
    ঋগবেদ গ্রন্থঃ ০৮ খন্ডঃ ০১ মন্ত্রঃ ০১।
    আর ব্রক্ষাসূত্র বলেঃ ঈশ্বর মাত্র একজনই; দ্বিতীয় কউ নেই। কেউ নেই, কেউ নেই আর কেউ কখনও ছিলোও না।

    1. যজুর্বেদ অধ্যায় ৪০ মন্ত্র ৯ এ বলা হয়েছে যারা প্রাকৃতিক বস্তুর পুজা করে তারা অন্ধকারে প্রবেশ করে, আরো অন্ধকারে প্রবেশ করে যারা শামবস্তু বা মূর্তির পুজা করে।
      জবাবঃ
      নিজেদের মিথ্যাচার ধরা পড়ে যাবার ভয়ে তারা ১০ ও ১১ নং মন্ত্র এরিয়ে যায়। আসলে সেখানে সম্ভূতি ও অসম্ভূতি নামে দুটো শব্দ আছে। জাকির নায়েকের অনুসারীরা সম্ভুতি এর অর্থ করে মূর্তি বা জড় জিনিসের পূজা আর অসম্ভূতি অর্থ করে প্রকৃতিপূজা। কিন্তু এটা তাদের ধারাবাহিক মিথ্যাচারেরই একটা অংশ। আসলে সম্ভূতি অর্থ সৃষ্টি এবং অসম্ভূতি অর্থ বিনাশ। যেমন আমরা বলি সজ্ঞানসম্ভূত মানে সজ্ঞানে সৃষ্ট। ৯ নং মন্ত্রে বলা হয়েছে, যারা কেবলমাত্র সম্ভূতি বা অসম্ভূতির উপাসনা করে, তারা অন্ধকারে লিপ্ত। ১০ নং মন্ত্রে বলা হয়েছে, এর কারণ এই দুইরকম উপাসনার ফল দুরকম। ১১ নং মন্ত্রে বলা হয়েছে, সম্ভূতি ও বিনাশ (অসম্ভূতি) কে যারা সমন্বয় করতে পারে, তারাই বিনাশ (অসম্ভূতি) দ্বারা মৃত্যুকে তরণ করে সম্ভূতির দ্বারা অমৃতকে লাভ করে। এবার যদি আমরা তাদের দেওয়া অনুবাদ অর্থাৎ সম্ভূতি মানে মূর্তিপুজাও ধরি, তবুও ১১ নং মন্ত্রে সম্ভূতি বা মূর্তিপুজা করতেই বলা হয়েছে।

    2. ঋগ্বেদ ৮/১/১ এ বলা হয়েছে, ইন্দ্র ব্যতীত অন্য কারো স্তুতি করো না। আপনি সেটাকে ঈশ্বর বানিয়ে দিলেন কেন?

    3. আমি তো আরো পয়েন্ট বলেছিলাম। আপনারা ঋগ্বেদ থেকে যা যা রেফারেন্স দিয়েছেন সব রেফারেন্স ভুল। গীতা অধ্যায় ১০ স্তব ৩ নিজেই মিলান কমেন্টে যা দিলেন আর পোস্টে যা দিলেন, কোনো মিল আছে কিনা।

      মিথ্যা তথ্যঃ
      “এক জনেই বিশ্বের প্রভু” (ঋকবেদ১০ঃ১২১ঃ৩) ।জবাবঃ
      ঋগ্বেদের ১০ম মন্ডলের ১২১সূক্তের ৩য় ঋকে গিয়ে পাওয়া যায় এই মন্ত্রটি,

      ঋষি-হিরণ্যগর্ভ। ছন্দ-ত্রিষ্টুপ্।
      যঃ প্রাণতো নিমিষতো মহিত্বৈক ইদ্রজা জগতো বভূব।
      য ঈশে অস্য দ্বিপদশ্চতুষ্পদঃ কস্মৈ দেবায় হবিষা বিধেম।।(ঋগ্বেদ,১০/১২১/৩)📖
      অর্থঃ
      যিনি নিজ মহিমা দ্বারা যাবতীয় দর্শননেন্দ্রিয়সম্পন্ন গতিশক্তিযুক্ত জীবদের অদ্বিতীয় রাজা হয়েছেন,যিনি এ সকল দ্বিপদ চতুষ্পদের প্রভু।আমরা উপসনায় কি নৈবেদ্য দেবো?

      ভূয়া ব্যাখ্যাঃ
      “একম এবম অদ্বৈত্তম” অর্থাৎ সে একজন তাঁর মত আর দ্বিতীয় কেউ নেই (ঋকবেদ১ঃ২ঃ৩) ।
      জবাবঃ
      ঋগ্বেদের ১ম মন্ডলের ২য় সূক্তের ৩য় ঋকে গিয়ে পাওয়া গেলো এই মন্ত্রটি,

      ঋষি,মধুচ্ছন্দা।ছন্দ,গায়েত্রী।
      বয়ো তব প্রপৃঞ্চতী ধেনা জিগাতী দাশুষে।উরুচী সোমপীতয়ে।।(ঋগ্বেদ ১/২/৩)📖
      অর্থঃ
      হে বায়ু, তোমার সোমগুণ প্রকাশক বাক্য সোম পানর্থে হব্যদাতা যজমানের নিকট আসছে,অনেকের নিকট আসছে।
      *সোমরস-এক ধরণের লতার রস,যা ঘৃতের মত দেবতাদের নিকট প্রিয় পানীয়।

      ভূয়া,মিথ্যা তথ্যঃ
      “সে একজন তারই উপাসনা কর” (ঋকবেদ২ঃ৪৫ঃ১৬)
      জবাবঃ
      ঋগ্বেদের ২য় মন্ডলে আছেই ৪৩টা সূক্ত।সেখানে ৪৫সূক্তেরসূক্তের ১৬নং ঋক কোথা থেকে আসলো??

  5. আমি তো আপনাকে আগেও বলেছি একটা একটা পয়েন্ট নিয়ে আলোচনা করেন । সব গুলো একসাথে তো উত্তর দেওয়া সম্ভব নয় । কারণ হিন্দু পন্ডিদদের মধ্যে অনুবাদ নিয়ে মতপার্থক্য আছে । আবারো বলছি । একটা একটা পয়েন্ট নিয়ে আলোচনা করি আসুন । আসুন প্রথমে আমি একটি পয়েন্ট এ আপনাকে মনোনিবেশ করায় ।

    নিচের পয়েন্টের দিকে খেয়াল করুন আর আপনি এটাকে অস্বীকারও করতে পারবেন না । কারণ এই পয়েন্টগুলোর ছবি সহ প্রমান পোষ্টে দেওয়া আছে যেহুতু কমেন্টে ছবি দেওয়া যায় না তাই একটু কষ্ট করে এর ছবিগুলো পোস্ট থেকে দেখে নেন ।

    যজুর্বেদ ৩২/৩, মহর্ষির ভাষ্য সহিত

    ন তস্য প্রতিমা অস্তি য়স্য নাম মহদ্ য়শঃ।
    হিরণ্যগর্ভ ইত্যেষ মা মা হিংসীদিত্যেষা য়স্মান্ন জাত ইত্যেষঃ।।

    অনুবাদ: যাঁর মহান প্রসিদ্ধ যশ রয়েছে সেই পরমাত্মার কোনো প্রতিমা নেই। “হিরণ্যগর্ভ” আদি মন্ত্রে, “মা মা হিংসীত্” এই মন্ত্রে ও “য়স্মান্ন জাত” এই মন্ত্রে সেই পরমাত্মার বর্ণন রয়েছে।
    মহর্ষির ভাষ্য “ন নিষেধে তস্য পরমেশ্বরস্য প্রতিমা প্রতিমীয়তে য়য়া তৎপরিমাপকং সদৃশং তোলনসাধকং প্রকৃতিরাকৃতিরবা অস্তি বর্ততে” অর্থাৎ সেই পরমেশ্বরের তুল্য পরিমাণ সদৃশ সাধক প্রতিকৃতি বা মূর্তি কিছুই নেই।
    সম্প্রদায়বাদী সেই গোঁড়াদের দাবি এই মন্ত্রে প্রতিমা শব্দ দ্বারা নাকি মূর্তিকে বোঝায় নি, কেবল উপমা বা তুলনা অর্থে বুঝিয়েছে। তাদের দাবি পুরাতন ভাষ্যকাররা নাকি এমন কোনো অর্থ করে যাননি, মহর্ষি দয়ানন্দই কেবল এই অর্থ করেছেন।
    বেশ দেখুন তাদের আদরণীয় উবট ও মহিধর কি ভাষ্য করেছে,

    ন তস্য প্রতিমা অস্তি য়স্য নাম মহদ্ য়শঃ।

    “ন তস্য পুরুষস্য প্রতিমা প্রতিমানভূতং কিঞ্চিদ্বিদ্যতে”(উবট)
    এবং
    “তস্য পুরুষস্য প্রতিমা প্রতিমানমুপমানং কিঞ্চিদ্বস্তু নাস্তি”(মহিধর)

    অর্থাৎ সেই পুরুষের প্রতিমা, তুলনা বা উপমা কিছুই নেই।

    উভয়েই বলছেন প্রতিমা নেই।
    এই মন্ত্র দ্বারা যেমন প্রমাণ হয় ঈশ্বরের তুল্য কিছু নেই, তেমনি তাঁর প্রতিমা বা মূর্তি নেই। প্রতিমা অর্থ যে মূর্তি হয় তা মানতে নারাজ পণ্ডিতম্মন্যরা। মূর্তি শব্দ অবৈদিক দেখে বেদে মূর্তি শব্দ নেই, সে স্থলে আছে প্রতিমা। প্রতিমা অর্থ যে মূর্তি তা বৈদিক কোষেও উল্লেখিত আছে।

    ন তস্য প্রতিমা অস্তি য়স্য নাম মহদ্ য়শঃ।

    দেখা যায় প্রতিমা=উপমা দেখাতে তারা সাধারণ বাংলা অভিধান ইউজ করে৷ অথচ একটি বিখ্যাত প্রাচীন অভিধান অমরকোষ এ প্রতিমার ৮ প্রতিশব্দ আছে যা মূর্তি নির্দেশ করে৷ অমরকোষ ২.১০.৩৫
    প্রতিমানং প্রতিবিম্বং প্রতিমা প্রতিয়াতনা প্রতিচ্ছায়া।
    প্রতিকৃতিরর্চা পুংসি প্রতিনিধিরুপমোপমানং স্যাত্।।

    ন তস্য প্রতিমা অস্তি য়স্য নাম মহদ্ য়শঃ।

    চলুন বৈদিক ঈশ্বরের সাকার নিরাকার কি আকার সে নিয়ে বেদ উপনিষদ কি বলে তা দেখে নিই:
    যজুর্বেদ ৪০/৮ বলছে ঈশ্বর অকায়ম(সর্বপ্রকার শরীররহিত)
    আচার্য শঙ্করের ভাষ্য দেখুন, তিনিও বলছেন সেই আত্মা(পরমাত্মা) স্থুল, সূক্ষ্ম শরীর বিবর্জিত

    ঈশ উপনিষদ ৮, শঙ্কর ভাষ্য

    এবার তাহলে প্রশ্ন রইল, যার কোনো শরীরই নেই তাঁর মূর্তি বা প্রতিমা আপনারা কিভাবে তৈরি করবেন?

  6. ইন্টারনেটে এক ধর্ম অন্য ধর্মের গোমর ফাঁসের প্রতিযোগিতায় নেমেছে। ধর্মগ্রন্থসমূহ থেকে ভুড়ি ভুড়ি উদাহরণ দিয়ে এক ধর্ম আরেক ধর্মের ভুড়ি ফাটিয়ে দিতে চাইছে আর বলতে চাইছে, অতএব প্রমাণীত হলো আমারটাই শ্রেষ্ঠ।

    1. আপনি মনে হয় উপরের disclaimer টা ভালো করে পড়েন নাই । আমরা এখানে কোন বিষয়ে কাউকে জোর করছি না । প্রত্যেকের বিবেক ও বুদ্ধি আছে । যার ইচ্ছা গ্রহণ করবে বা যার ইচ্ছা ছেড়ে দিবে । কিন্তু সত্যটা মানুষের সামনে তুলে ধরতে বা এটা নিয়ে আলোচনা করতে তো সমস্যা নাই । আপনি যদি এখানে কোন ভুল দেখেন তাহলে সেটা তুলে ধরেন আমদের কাছে । আপনার টা যথার্থ হলে আমরা ভুলটা বাদ দিয়ে দিবো ইং-শা-আল্লাহ ।
      দীন গ্রহণের ব্যাপারে কোনো জোর-জবরদস্তি নেই ; সত্য পথ সুস্পষ্ট হয়েছে ভ্রান্ত পথ থেকে। অতএব, যে তাগূতকে অস্বীকার করবে ও আল্লাহ্‌র উপর ঈমান আনবে সে এমন এক দৃঢ়তর রজ্জু ধারন করল যা কখনো ভাঙ্গবে না । আর আল্লাহ্‌ সর্বশ্রোতা ও সর্বজ্ঞানী। [2:256]

  7. ইদানীংকালে অনেক মুমিনকে দেখি গীতার ১০/৩ শ্লোকটি নিয়ে বিভিন্ন ধরনের মিথ্যাচার করতে। তারা এই শ্লোকের অপব্যাখ্যা করে সনাতন ধর্মের অবতার তত্ত্বকে অস্বীকার করতে চায়। সেইসব হতভাগা মূর্খরা হয়তো সম্পূর্ণ গীতা পড়ে দেখে নি। তাই মাঝখান থেকে একটি দুটি শ্লোকের রেফারেন্স দিয়ে এসব ভিত্তিহীন দাবী করে এবং নিজেকে মহাপন্ডিত মনে করে।

    তাদের দাবী অনুসারে ভগবান যেহেতু জন্মরহিত, তাই শ্রীকৃষ্ণ নাকি ভগবান নয়, কারণ শ্রীকৃষ্ণের জন্ম আছে। (ভগবান এইসব মূর্খদের সঠিক বুঝ দান করুন) তাদের এই মিথ্যাদাবী খন্ডন করতে পবিত্র গীতার ৪র্থ অধ্যায়ের ৯ম শ্লোকটিই যথেষ্ট। গীতা ৪/৯ শ্লোকে বলা হয়েছে-

    জন্ম কর্ম চ মে দিব্যমেবং যো বেত্তি তত্ত্বতঃ।
    ত্যক্ত্বা দেহং পুনর্জন্ম নৈতি মামেতি সোহর্জুন।।৯।।

    অনুবাদঃ হে অর্জুন! ‍যিনি আমার এই প্রকার দিব্য জন্ম ও কর্ম যথাযথভাবে জানেন, তাঁকে আর দেহত্যাগ করার পর পুনরায় জন্মগ্রহণ করতে হয় না, তিনি আমার নিত্য ধাম লাভ করেন।

    অর্থাৎ ভগবানের জন্ম ও কর্ম আর দশজন সাধারণ মানুষের মতো লৌকিক ও পার্থিব নয়, বরং তা অলৌকিক এবং চিন্ময়। ঈশ্বরের কোনো জন্মমৃত্যু নেই এটা ঠিক কিন্তু তার মানে এই নয় তিনি কোনো জন্মলীলা প্রকাশ করতে পারেন না। এমন নয় যে আজ থেকে ৫,০০০ বছর পূর্বে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ জন্মগ্রহণ করেছেন তার আগে তিনি ছিলেন না। আজ থেকে ৫,০০০ বছর আগে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ জন্মলীলাকে আশ্রয় করে এই পৃথিবীতে এসেছিলেন বা প্রকট হয়েছিলেন। ভগবান শ্রীকৃষ্ণের এই জন্মলীলাকে কেন জন্মগ্রহণ বলা যাবে না তার একটি ব্যাখ্যা হল-
    যে ভাবে সূর্য উদিত হয় এবং অস্ত যায় তা শুধু আমরা সাধারণ মানুষ দেখে থাকি কিন্তু আসলে কি সূর্য উদিত হয় বা অস্ত যায়?
    ঠিক সেই ভাবে ভগবান এর জন্ম হয় এবং দেহত্যাগ হয় তা শুধু সাধারন মানুষ বুঝে কিন্ত আসলে ভগবান এর জন্ম ও হয় না মৃত্যু ও হয় না তিনি প্রকট হন।

    ভগবান ইচ্ছাময়, তিনি যদি চান, তবে জন্মলীলাকে আশ্রয় না করেও পৃথিবীতে প্রকট হতে পারেন। এর প্রমাণ হল নৃসিংহ অবতার যে অবতারে তিনি শুধুমাত্র একটি স্তম্ভের ভিতর থেকেই প্রকট হয়েছিলেন। (শ্রীমদ্ভাগবত ৭/৮১৭)

    গীতা ৪/৬ এ বলা হয়েছে

    অজেহপি সন্নব্যয়াত্মা ভূতানীমীম্বরোহপি সন্।
    প্রকৃতিং স্বামধিষ্ঠায় সম্ভবাম্যাত্মমায়য়া।।৬।।

    অনুবাদঃ যদিও আমি জন্মরহিত এবং আমার চিন্ময় দেহ অব্যয় এবং যদিও আমি সর্বভূতের ঈশ্বর, তবুও আমার অন্তরঙ্গা শক্তিকে আশ্রয় করে আমি আমার আদি চিন্ময় রূপে যুগে যুগে অবতীর্ণ হই।

    অর্থাৎ ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্ম ও কর্ম দিব্য ও অলৌকিক এবং তা আর দশজন সাধারণ মানুষের মতো নয়। মর্ত্যবাসী লোকের কাছে মনে হতে পারে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ জন্মগ্রহণ করেছেন কিন্তু আসলে তিনি জন্মলীলা প্রকাশ করেছেন মাত্র। ভগবান জন্মলীলাকে আশ্রয় করলেও জন্ম জন্মান্তরের মায়া তাকে মোহিত করতে পারে না। এটাই তার দিব্য জন্মের প্রমাণ। এ প্রসঙ্গে গীতা ৪/৫ এ বলা হয়েছে

    শ্রীভগবানুবাচ
    বহুনি মে ব্যতীতানি জন্মানি তব চার্জুন।
    তান্যহং বেদ সর্বাণি ন ত্বং বেত্থ পরন্তপ।।৫।।

    অনুবাদঃ পরমেশ্বর ভগবান বললেন- হে পরন্তপ অর্জুন! আমার ও তোমার বহু জন্ম অতীত হয়েছে। আমি সেই সমস্ত জন্মের কথা স্মরণ করতে পারি, কিন্তু তুমি পার না।

    1. আচ্ছা ভাই । তাহলে আমার প্রশ্নগুলোর উত্তর দিবেন আশা করি ।
      তার আগে বলে নিই যে , মনগড়া ব্যাখ্যা বা অপব্যাখ্যা আমরা করি নাই বরং আপনি করছেন । আপনি শ্লোকের রেফারেন্স দিছেন কিন্তু সেটার যে ব্যাখ্যা করেছেন সেটা কোথা থেকে করেছেন রেফারেন্স দেন নাই । কারোর মনগড়া ব্যাখ্যার ৫ পয়সা দাম নাই ।
      প্রশ্ন ১ :
      লোকে জানে আমি কখনও জন্মাইনি ও উদ্ভূত হয়নি; আমি এই বিশ্বজগতের সবময় প্রভু
      ( ভগবত গীতা : অধ্যায় ১০ অনুঃ ০৩। )
      এখনে “লোকে জানে ” বলতে কোন লোক জানে বোঝানো হয়েছে ? এখানে “লোকে জানে ” বলতে কি সাধারণ লোকজন বোঝানো হয়েছে নাকি স্পেশাল কোন লোক বা দেব-দেবীকে বোঝানো হয়েছে ?
      অবশ্যই এর ব্যাখ্যা যেখান থেকে দিবেন সেটার রেফারেন্স উল্লেখ করবেন । কোন সাধারণ মানুষের (আপনার মতো) মনগড়া ব্যাখ্যার কোন মূল্য নাই ।

      প্রশ্ন ২:
      আপনি বলেছেন যে , ” ঈশ্বরের কোনো জন্মমৃত্যু নেই এটা ঠিক কিন্তু তার মানে এই নয় তিনি কোনো জন্মলীলা প্রকাশ করতে পারেন না ” । প্রথমে বলবেন “জন্মলীলা” এর অর্থ কি ? এরপর বলবেন , যার জন্মমৃত্যু নেই তার আবার জন্মলীলা কিসের ? বিপরীত কথা কেনো বলেন ? আর যদি ধরে নিই যে এটা “জন্মলীলা” তাহলে আপনি এটা কোথায় পেলেন যে এটা জন্মলীলা ? এই ব্যাখ্যা কে দিয়েছে ? রেফারেন্স দেন । আপনি রেফারেন্স উল্লেখ করেন নাই । কারোর মনগড়া কথার ৫ পয়সা দাম নাই ।

      প্রশ্ন ৩ঃ
      এখন সর্বশেষ প্রশ্নের উত্তর দিন , যদি কিছু সেকেন্ডের জন্য ধরেও নিই যে ঈশ্বরের জন্মলীলা হয়েছে । তাহলে অবশ্যই তার আকার বা শরীর থাকতে হবে । কিন্তু নিচের শ্লোক গুলো কি বলে দেখুন তো একবার ।
      চলুন বৈদিক ঈশ্বরের সাকার নিরাকার কি আকার সে নিয়ে বেদ উপনিষদ কি বলে তা দেখে নিই : যজুর্বেদ ৪০/৮ বলছে ঈশ্বর অকায়ম(সর্বপ্রকার শরীররহিত)
      আচার্য শঙ্করের ভাষ্য দেখুন, তিনিও বলছেন সেই আত্মা(পরমাত্মা) স্থুল, সূক্ষ্ম শরীর বিবর্জিত
      ঈশ উপনিষদ ৮, শঙ্কর ভাষ্য

      এই রেফারেন্স গুলো দিয়ে প্রমাণিত যে , ঈশ্বর সর্বপ্রকার শরীররহিত এর সেই আত্মা(পরমাত্মা) স্থুল, সূক্ষ্ম শরীর বিবর্জিত । এর মানে ঈশ্বরের আকার আমাদের জানা নেই । কেমন আমরা জানি না । কারণ হলো তিনি কারোর সাদৃশ্য নয় ।

      এখন বলুন , যদি আপনার কথা ঠিক হয় , তাহলে এই শ্লোক মিথ্যা (এমন আরো অনেক আছে ), আর যদি এই শ্লোক সত্য হয় তাহলে আপনি মিথ্যাবাদী । এখন আপনিই বলুন কাকে মানবো আর কাকে ছাড়বো ।

    2. অমুসলিম ভাইদের প্রতি শ্রদ্ধা এবং মুসলিম ভাইদেরকে সালাম দিয়ে একটা প্রশ্ন করছি। যদি ঈশ্বর নিজে পৃথীবিতে আসেন তাহলে সেই সময় তার কাজগুলি কে করেন? ২য় প্রশ্ন: ইশ্বর কি দুইবার এসেই পৃথিবীর মানুষকে ধর্মের সব কথা বলে দিয়ে গেছেন। আর কোনো পরিবর্তন করতে হবে না? এই কবরে মানুষ পৃথিবী ধংস হওয়া পযন্ত? ৩য় প্রশ্ন: পৃথিবীকি ধংস হবে? নাকি প্রলয় হয়ে আবার মানুষ জম্ন নিবে? ৪র্থ প্রশ্ন: ৩৩ কোটি দেবতার নাম কি কোন হিন্দু ভাই বলতে পারবেন? এত দেবতাদের পুজা করেছে আজ পযন্ত কোন সফল হিন্দু সারাজীবনে?

Leave a Reply

Your email address will not be published.