হিন্দু ধর্মের কিছু বৈজ্ঞানিক ভুল ,ব্যাখ্যা এবং দলিল বা রেফারেন্স সহ বিস্তারিত

হিন্দুধর্ম ভুল ভ্রান্তি সাদৃশ্য প্রতিমা বা মূর্তি পূজা নিষিদ্ধ হিন্দু ধর্মেই গরুর মাংস বৈজ্ঞানিক ভুল মোহাম্মাদ (স:) সনাতন চূরান্ত কলকি অবতার কলি বেদ শ্রীমদ্ভগবদগীতা বা গীতা মহাভারত পুরাণ উপনিষদ রামায়ণ ঋগ্বেদ যজুর্বেদ সামবেদ অথর্ববেদ ভারত হিন্দুস্থান দেবতা দেবী প্রসাদ গঙ্গা
হিন্দু ধর্মের কিছু বৈজ্ঞানিক ভুল ,ব্যাখ্যা এবং দলিল বা রেফারেন্স সহ বিস্তারিত

 

বেদ বলছে পৃথীবি স্থিরঃ

১। “Oh Man ! He who made the trembling earth static is Indra.” (Rig Ved 2/12/12) অর্থঃ দেব ইন্দ্র পৃথিবী কে স্থির রেখেছেন।
২। “The God who made the earth stable” (Yajur Ved 32/6) অর্থঃ ঈশ্বর এই পৃথিবীকে স্থির রূপে তৈরি করেছেন।
৩। “Indra protects the wide earth which is immovable and has many forms ” (Atarv Ved 12/1/11) অর্থঃ ইন্দ্রা এই বিশাল পৃথিবীকে স্থির রেখেছেন। আমরা জানি পৃথিবী সূর্যের চারদিকে ঘুড়ছে। কিন্তু বেদ বলে সূর্য ঘোড়ার গাড়ির উপর রয়েছে ও এই ঘোড়ার গাড়িটি ৭টি ঘোড়া চালিয়ে নিয়ে যাচ্ছে এবং পৃথিবীর চারদিকে ঘুড়ছে।
১। “Sun is full of light and knows all the human beings, so his horses take him to sky to look at the world” (Rig Ved 1/50/1) অর্থঃ সূর্য আলোর আধার এবং সকল মানব সম্প্রদায় কে সে চেনে, তাই তার ঘোড়াগুলো তাকে বিশ্ব দেখানোর জন্য আকাশে নিয়ে গেছে।
২। “O, Bright sun, a chariot named harit with seven horses takes you to sky” (Rig Ved 1/50/8) অর্থঃ “হে, উজ্জ্বল সূর্য, হৃত নামক সাতঘোরায় চালিত রথ তোমাকে আকাশে নিয়ে গেছে।” ৩। “O, man, the sun who is most attractive, takes round of the earth, on his golden chariot through the sky and removes the darkness of the earth” (Yajur Ved 33/43) অর্থঃ হে মানব, আকর্ষনীয় সূর্য সোনার রথের উপর চড়ে পৃথিবীকে প্রদক্ষিন করছেএবং পৃথিবীর অন্ধকার দূর করছে। বেদ বলছে আকাশের পিলার আছে এবং তা গরুর উপর রয়েছেঃ
১। “The Bull has supported the sky.” (Yajur Ved: 4: 30) অর্থঃ গরু আকাশ কে ধারন করে আছে।
২। “Upon the back of bull (Aditi) I lay thee the sky’s supporter” (Yajur Ved: 14:5 ) অর্থঃ গরু অদিতির পিঠের উপর আমি আকাশকে বসিয়ে দিয়েছি। বাতাস ছাড়া কি প্রদীপ জ্বলতে পারে?
১। “A lamp kept in windless place does not shake.” (Bhagvad Gita: 6: 19) অর্থঃ বায়ু বিহীন জায়গায় প্রদীপের আলোকাঁপে না। >> বাতাস না থাকলে তো আলোই জ্বলার কথা না, কাঁপা তো দূরের কথা।
২। Arjun says to Krishna ,“The sun and moon are your eyes.” (Bhagvad Gita: 11: 19) অর্থঃ “অর্জুন কৃষনা কে বল্ল, ‘সূর্য এবং চাঁদ তোমার দুই চোখ” >> আমরা জানি সূর্য এবং চাদ কারো চোখ নয়, সূর্য হচ্ছে নক্ষত্র এবং চাঁদ পৃথিবীর উপগ্রহ। 

কোথায় যাচ্ছেন? আরো নতুন কিছু জানার জন্য এই লেখাটি পড়ুনঃ   সমাজে প্রচলিত কিছু জাল হাদিস বা হাদিসের নামে মিথ্যা জেনে নিই পর্ব ৪

————————————————————————

বেদ অনুযায়ী পৃথিবীর আকারঃ
পৃথিবীর আকার নিয়ে দুধরনের মতবাদ আছে, এগুলো হচ্ছে~

i.concept of Geospherical earth
ii. concept of Flat earth

এর মধ্যে i নং মতবাদটি সবচেয়ে বেশি গৃহিত মতবাদ। এ মতবাদ অনুসারে, পৃথিবীর আকার কমলা লেবুর মতো। বিশ্বের বেশির ভাগ মানুষ এ মতবাদতি গ্রহন করলেও, এরকম অনেক মানুষ আছে, যারা দ্বিতীয় মতটিকে গ্রহন করেছে। দ্বিতীয় মত অনুসারে পৃথিবী একটি ডিস্কের মতো এবং তার উপর দিয়ে দুটি জ্যোতিষ্ক ঘুরছে, এগুলো হলো সুর্য ও চন্দ্র। এবং পৃথিবী নিজ অক্ষের উপর ঘুরছে।
কিন্তু বেদ উপরের দুটির কোনো মতবাদই গ্রহন করে না, বরং বেদ নিজে এক মতবাদ প্রবর্তন করেছে, যা একদম অযৌক্তিক~

ঋগ্বেদ ৩/৬/৫

মহান তার কর্ম, তিনি মহান, হে অগ্নি, তুমি তোমার ক্ষমতা দ্বারা পৃথিবীকে বিস্তৃত করেছো।

ঋগ্বেদ ১০/৬২/৩

তোমরা (দেবরা) সুর্যকে অনন্ত আইন দ্বারা উত্থাপিত করেছো ও মাতা পৃথিবীকে বিস্তৃত করেছো।

উপরিউক্ত মন্ত্র দ্বারা প্রমানিত হয় যে, বেদ অনুযায়ী পৃথিবী চ্যাপ্টা।

ঋগ্বেদ ১০/৫৮/৩

তোমার যে আত্মা দুরবর্তী, দূরবর্তী এ চারকোনে পৃথিবী হতে;
আমরা আবার তোমার কাছে যেতে চাই, যাতে তুমি এখানে থাকতে পারো, কিছুকালের জন্য।

ঋগ্বেদ ৫/৪৭/২

পৃথিবী ও স্বর্গের চারকোনা সীমা ছাড়িয়ে প্রশস্ত পথগুলি এগিয়ে যায়।

এ মন্ত্রগুলো দ্বারা প্রতীয়মান এই যে, বেদ মতে পৃথিবী চারকোনা।

পৃথিবী যেহেতু গোল, তাই এর কোনো সীমা থাকতে পারে না। কিন্তু বেদ বলে অন্যকিছু ~

ঋগ্বেদ ৮/২৫/১৮

যিনি তার রশ্মি দ্বারা দ্যুলোক ও পৃথিবীর শেষ প্রান্ত পরিমাপ করেছেন…….

ঋগ্বেদ ৭/৮৩/৩

পৃথিবীর প্রান্তগুলো ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল (তিনি আবার তা বানিয়েছেন)।

অথর্ব বেদ ১৫/৭/১

তিনি মহিমান্বিত হইয়াছেন, পৃথিবীর প্রান্তে গিয়াছেন….

অথর্ব বেদ ২০/৮৮/১

তাহার সহিত তিনি পৃথিবীর শেষ প্রান্তে ছড়াইয়া পড়িয়াছেন।

এর মাধ্যমে প্রমানিত হয়ে যে, বেদ অনুযায়ী পৃথিবীর সীমা আছে।

কোথায় যাচ্ছেন? আরো নতুন কিছু জানার জন্য এই লেখাটি পড়ুনঃ   হিন্দু ধর্মে মূর্তি পূজা নিষিদ্ধ।
MuslimPoint Organization

About MuslimPoint Organization

MuslimPoint একটি অনলাইন ভিত্তিক ইসলামী প্রশ্নোত্তর, গ্রন্থাগার, ব্লগিং, কুরআন, হাদিস, কুইজ এবং বিষয় ভিত্তিক রেফারেন্স প্ল্যাটফর্ম।

View all posts by MuslimPoint Organization →

25 Comments on “হিন্দু ধর্মের কিছু বৈজ্ঞানিক ভুল ,ব্যাখ্যা এবং দলিল বা রেফারেন্স সহ বিস্তারিত”

  1. বিজ্ঞান টেনে আনার দরকার কী? যে যেটা বিশ্বাস করে তার কাছে সেটাই সত্য। আর সব ধর্মের প্রাণ ভোমরাই হচ্ছে এই বিশ্বাস। বিশ্বের হাজার হাজার ধর্ম টিকে আছে এই বিশ্বাসের উপর। ওটা সরিয়ে বিজ্ঞান বসিয়ে দিলে সব ধর্মই তাসের ঘরের মত ধসে পড়বে।

    1. আমরা আপনার সাথে সহমত । ধর্ম টিকে থাকে বিশ্বাস এর উপর । বিজ্ঞান দিয়ে ধর্ম প্রামণ করা বোকামি । কিন্তু প্রতিষ্ঠিত বিজ্ঞান দিয়ে সত্যের কাছাকাছি যাওয়া সম্ভব । এজন্য আসলে এখানে এগুলো আলোচনা করা হয়েছে । আবারো বলছি , এখানে প্রতিষ্ঠিত বিজ্ঞান নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে । কোন থিউরি বা কে কি বলেছে সেটা নিয়ে কিছু বলা হয় নাই । যদি আপনি এখানে কোন ভুল খুজে পান তাহলে আমাদের অবশ্যই জানাবেন । আমরা ভুল গুলো সংশোধন করে নিবো ইং-শা-আল্লাহ ।

  2. ঋগ্বেদ ২.১২.১২ তে লেখা আছে দেবরাজ ইন্দ্র পৃথিবী কে মজবুত করেছেন এবং পর্বত কে স্থির করেছেন, অযথা ভুলভাল পোস্ট করবেন না, আপনি যদি প্রমাণ করতে পারেন যে হিন্দু শাস্ত্রে পৃথিবীতকে স্থির বলা হয়েছে তাহলে মুসলিম ধর্ম গ্রহণ করবো চ্যালেঞ্জ রইল

    1. Apni jdi aktu science bojhen tahle janben j,
      পাহাড়ের এলাকা gula te,.besi earthquake hoi…r sei jnno,,…hill gula kape,..jar jnne,,,পাহাড়ের structure a onk changes ase…..
      Akhne question hlo,,পাহাড় কেমন করে স্থির??,
      .
      Ha pahar move kre na,,..but,,akdm static na,…apni hoito janben,,amra j earth a walk kri,,setar jnno,,eart kicuta move kre..onk km,,,but,,kre…static na…..

      Tai jdi,,akdm. Science diye judge kri,..earth is not static…..

      R vai,,challeng er kicu nai…apni jdi proper hindhism manen,,..jdi janen asolei hinduism a,,.god k niye ki ki bla ase…tahle apni jei religion krtesem,,setai jdi properly kren,…to apnake muslim hte hbe na…

    2. Kintu paharer naki dana cilo ar ta naki pakider moto ura barato.Indro naki tar electron diya paharer dana kata palca.

  3. যজুর্বেদ ৩২.৬ লেখা আছে ঈশ্বর পৃথিবীতে স্থায়িত্ব প্রদান করেছেন, স্থায়িত্ব কথার অর্থ হলো দৃঢ় ,টেকসই (যে মাদ্রাসা থেকে পড়েছেন সেখানকার মৌলানারা সনাতন ধর্মের “স” ও বোঝেনা

    1. Vai,,earth khnoi স্থায়ী na,..onk jaiga bilin hye gese…dhren j,,earthquake ba sunami er jnno,..onk jaiga bilin hye jai,..jai na ki??….tahle kamne,,earth akta constant jinis hoi blen??…

    2. যজুর্বেদ ৩২অধ্যায়ের ৬শ্লোক বলেঃ

      যেন দৌরুগ্রা পূথিবী চ দৃঢ়া যেন স্তভিতং যেন নাকঃ।

      অর্থঃ পৃথিবীকে দৃঢ় করা হয়েছে যাতে তা না নড়ে

      মানে পৃথিবী অনঢ়।আমারা জানি পৃথিবীর ২টা গতি আছে। বার্ষিক ও আহ্নিক।।।।।

      দৃঢ় মানে অনঢ়,অচল,স্থির,অটল………

  4. বিশ্বরূপা ধ্রুবম ভূমি পৃথিবীমিন্দ্রগুপ্তম। [অথর্ববেদ 12.1.11] স্থির মানে সম্পূর্ণ গতিহীন নয়। এখানে ধ্রুব অর্থ নড়াচড়া করা হয়েছে, যেখানে এখানে এই অর্থ সমীচীন নয়।মূল শব্দটি ধ্রুব, যার স্ত্রীলিঙ্গ রূপ ধ্রুব।

    1. Vai,amn challenge deyar kno drkar nai,….apni nije theke sb religion r science diye bichar krun…..then,,apner nijer bibek k kaje lagan…
      Ata apner personal.matter challenge er kicu nai vai..

      R vai earth khnoi static na,….
      Earthquake er jnno,,.world kape….so,,…ata jai blen,…ami dhrlam,..world movable,,,but static bla ta ki thik???…

  5. ঋকবেদ ১.৫০.১ तरणिर्व- শ্বদর্শতো জ্যোতিষ্ক- द्सि सूर्य | বিশ্বমা ভাসিরোচনম | তারানীর বিশ্বদর্শতো জ্যোতিষ্ক্রদাসি সূর্য | বিশ্বমা ভাসিরোচনম || যার অর্থ “তুমি দ্রুত এবং সমস্ত সুন্দর, হে সূর্য (সূর্য=সূর্য), আলোর নির্মাতা, সমস্ত দীপ্তিময় রাজ্যকে আলোকিত করে।” তার ঋগ্বেদীয় ভাষ্যের এই শ্লোকটির উপর মন্তব্য করে, সায়ানা যিনি দক্ষিণ ভারতের কর্ণাটকের মহান বিজয়নগর সাম্রাজ্যের বুক্কার দরবারে একজন মন্ত্রী ছিলেন (14 শতকের গোড়ার দিকে) বলেছেন: তথা চ স্মর্যতে যোজনানম। সহস্রে দ্বিভে সতে দ্বিভে সিএ যোজনে একেন নিমিষার্ধেনা ক্রমণ। যার অর্থ “এখানে মনে রাখা হয়েছে যে সূর্য (আলো) অর্ধেক নিমিষায় 2,202টি যোজন অতিক্রম করে” দ্রষ্টব্য: নিমিশারদা = নিমিষার অর্ধেক বেদ যোজনায় দূরত্বের একক এবং নিমিষা হল সময়ের একক৷

  6. Apni jdi aktu science bojhen tahle janben j,
    পাহাড়ের এলাকা gula te,.besi earthquake hoi…r sei jnno,,…hill gula kape,..jar jnne,,,পাহাড়ের structure a onk changes ase…..
    Akhne question hlo,,পাহাড় কেমন করে স্থির??,
    .
    Ha pahar move kre na,,..but,,akdm static na,…apni hoito janben,,amra j earth a walk kri,,setar jnno,,eart kicuta move kre..onk km,,,but,,kre…static na…..

    Tai jdi,,akdm. Science diye judge kri,..earth is not static…..

    R vai,,challeng er kicu nai…apni jdi proper hindhism manen,,..jdi janen asolei hinduism a,,.god k niye ki ki bla ase…tahle apni jei religion krtesem,,setai jdi properly kren,…to apnake muslim hte hbe na…

  7. বেদে বৈজ্ঞানিক ভুল
    দেখাতে নাস্তিকেরা যেসকল
    বাঁধাধরা রেফারেন্স ব্যবহার
    করে সেই মন্ত্রসমূহের অনুবাদ।
    অভিযোগ ১.
    বেদ বলেছে পৃথিবী স্থির।
    এক্ষেত্রে নাস্তিকদের ব্যবহৃত
    রেফারেন্সগুলো দেখে নেই-
    ঋগ্বেদ ২.১২.২ বলেছে কম্পনরত
    পৃথিবীকে ইন্দ্র স্থির করেছেন।
    যর্জু বেদ ৩২.৬ বলেছে যে ঈশ্বর
    পৃথিবীকে করেছেন স্থির।
    অথর্ব বেদ ১২.১.১১ বলেছে ইন্দ্র এ
    বিশাল পৃথিবীকে রক্ষা করেন
    যা স্থির।
    অথর্ব বেদ ১২.১.১৭
    বলেছে চল,বিশাল
    এই স্থির পৃথিবীতে হাঁটি।
    এখন আসুন পবিত্র বেদ
    থেকে মন্ত্রগুলোর অর্থ
    দেখে নেই-
    যঃ পৃথিবীঃ ব্যথমানামধ্যংহদ
    যঃ পর্বতান প্রকুপিতানরম্ণাত।
    যো অন্তরীক্ষঃ বিমামে বরীযো যো
    দ্যমস্তভ্নত স যনাস ইন্দ্র।।
    (ঋগ্বেদ ২.১২.২)
    অনুবাদ- সেই পরমৈশ্বর্যবান
    সৃষ্টিকর্তা(ইন্দ্র) ই পর্বত সমূহের
    বিশালত্ব,মেঘমালার বর্ষন
    (বরীযো যো),বায়ুসমূহের প্রবাহ
    (অন্তরীক্ষঃ বিমামে)
    এবং প্রানীসমূহের পুষ্টির(দ্যমস্ত
    ভ্নত
    স) যোগানদাতা।
    যজুর্বেদ ৩২.৬ হিন্দুদের অন্যতম
    একটি প্রার্থনা মন্ত্র।
    মনে হচ্ছে নাস্তিক-
    যবনরা ‘ভারসাম্যযুক্ত’ আর ‘স্থির’

    শব্দদুটোর পার্থক্য ই জানেনা।
    যজুর্বেদ ৩২.৬ এ
    বলা হয়েছে,”সকল
    সুখপ্রদায়ক ঈশ্বরকে আমরা যেন
    ভালবাসা ও ভক্তির
    সাথে হৃদয়স্থিত
    করতে পারি যিনি এই সুন্দর
    পৃথিবী ও
    অন্যান্য গ্রহসমূহ সমস্ত
    কিছুকে করেছেন ভারসাম্যময়
    যিনি আমাদের অন্তিম
    লক্ষ,মোক্ষের
    স্থান!
    অথর্ব বেদ এর দ্বাদশ সুক্তের নাম
    ভূমিসুক্ত যা মাতৃভূমির
    প্রতি প্রেমকে সমর্থন
    করে প্রকাশিত
    যেখানে নাস্তিকেরা বৈজ্ঞানিক
    ভূল
    পেয়ে গেছে!
    অথর্ববেদ ১২.১.১১ বলছে,
    “এই ধরনী আমাদের
    দিয়েছে সবুজ ও
    বরফাবৃত
    পর্বতমালা,বন,শস
    ্যাদি এবং বৃষ্টি
    যাতে আমরা জীবনধারন
    করি,পুষ্টি পাই।”
    এর পরের মন্ত্রই বলছে,
    “হে ধরনী মাতা,আমরা তোমার
    পুত্রস্বরুপ। তুমি আমাদের ধারণ
    করেছ, আমরা যাতে নিজ
    গুনে তোমায়
    শুদ্ধ রাখতে পারি।”
    দেশপ্রেম,ধরনীপ্রেমের এত সুন্দর
    নিদর্শনে বৈজ্ঞানিক ভূল
    পাওয়া কেবল নাস্তিক ও
    যবনদের
    পক্ষেই সম্ভব!
    ——————————
    ———————————–
    এখন দেখে নেই পৃথিবী ও
    গ্রহসমূহের
    গতি সম্বন্ধে পবিত্র বেদ
    কি বলেছে-
    ঋগবেদ ১০.২২.১৪
    অহস্ত য়দপদি(য়দ-অপদি)বরধত
    খশচীবিরবেদ্যানাম।
    সুষমপরি প্রদক্ষিনিত্
    বিশ্যব্যে নি সিস্নাথা।।
    অনুবাদ-
    “পৃথিবীর নেই হস্ত বা পদ,তবুও
    তা গতিশীল। এর উপর অবস্থিত
    বস্তুসমূহ
    ও এটার সাথে গতিশীল।
    এটি সূর্যের
    চারদিকে ঘূর্নায়মান।”
    এখানে,অহস্ত-হাতহীন, অপদ-
    পাহীন,
    খ-পৃথিবী, বরধত-গতিশীল, শুষুনাম
    পরি-উপরিস্থিত বস্তুসমূহ।
    ঋগবেদ ১০.১৪৯.১
    সবিতা যন্ত্রেহ পৃথিবী-
    মরামদক্ষম্ভলে(পৃথিবীম-অরামদ)
    সবিতাদ্যমধত(দ্যম অধ্যত)।
    অশ্বমিবাদুক্ষদ( অশ্বম-ইব-অধুক্ষত)
    ধুনিম অন্তরীক্ষ মতুরতেবাধয়
    সবিতা সমুদ্রম।।
    অনুবাদ-
    “সূর্য তার পৃথিবী ও অন্যান্য
    গ্রহসমূহকে তার আকর্ষনশক্তির
    সাহায্যে বেধে রেখেছে।
    এটার
    চারপাশে সেগুলো ঘূর্নায়মান
    ঠিক
    যেমন প্রশিক্ষক এর
    চারপাশে প্রশিক্ষনরত অশ্ব
    বলগা দিয়ে ঘোরে।”
    এখানে,সবিতা-সূর্য, যন্ত্রেহ-
    বলগা,
    পৃথিবীম-পৃথিবী,অরামদ-
    বেধে রাখা,দ্যম অধ্যত-অন্য
    গ্রহসকল,অশ্বম-ইব-অধুক্ষত-ঠিক যেন
    ঘোড়ার মত।
    যেকোন নাস্তিক
    বা বিধর্মীরা এধরনের কোন
    লেখা যেখানেই
    দিকনা কেন,তাদের
    মুখের উপর ছুড়ে মারবেন তাদের
    এই
    মিথ্যাখন্ডনটি।

    বিঃদ্রঃ হিন্দু সনাতন ধর্ম সম্পর্কে কেউ কটুক্তি করলে ভদ্র ভাষায় প্রতিত্তুর দিবেন।আর না পারলে পেজে ইনবক্স করুন

    1. আমি চাইলে রিগ্বেদ গ্রন্থ ২,৩,৫,৭,১০
      সাদা যজুর্বেদ
      যজুর্বেদ
      সামবেদ উত্তচি মন্ত্র ১৩৪৯
      ভগবত পুরানা, কল্কিপুরাণা
      ইত্যাদি হতেও রেফারেন্স দিতে পারি
      লাগলে জানাবেন
      তাছাড়া ইমানের ৬টা খুটির সাথেও হিন্দু গ্রন্থের মিল দেখাতে পারি।।

  8. আপনারা হিন্দুরা আল্লাহকে ও নবী মুহাম্মদকে মানেন না অথচ আপনাদের বেদ আনুযায়ী মানা উচিত।
    আল্লাহ রিগ্বেদ ২ঃ১ঃ১১ । ৩ঃ৩০ঃ১০ । ৯ঃ৬৭ঃ৩০
    এবং একটি উপনিষদের নামও আল্লো উপনিষদ

    according to Oxford dictionary আল্লো মানে হিন্দু ধর্ম বিশ্বাস অনুযায়ী ঈশ্বরের নাম।

    তাছাড়া, ভবিষ্য পুরানা পর্ব ৩ খন্ড ১ অধ্যায় ৩ শ্লোক=২১-২৩,ভবিষ্য পুরানা পর্ব ৩ খন্ড ৩ অধ্যায় ৩ শ্লোক=৫-৮,ভবিষ্য পুরানা পর্ব ৩ খন্ড অধ্যায় ৩ শ্লোক=১০-২৭
    অথর্ববেদ গ্রন্থ ২০ অধ্যায় ২১ শ্লোক =৬+৭
    অথর্ববেদ গ্রন্থ ২০ অধ্যায় ১২৭ শ্লোক =১-১৪ বলছে নাবী মুহাম্মাদের কথা
    তাছাড়া সামবেদ উত্তরচিক মন্ত্র ১৫০০ সরাসরি বলছে “আহামাটি“ পাবেন চিরন্তন বাণী। আসলে এটা আরবি শব্দ এরা অনুবাদ করতে পারেনি তাই লিখেছে আহা মানে আমার মাটি মানে পিতা

    তাছাড়া রিগ্বেদ গ্রন্থ ১ এর ১৩ অধ্যায়ের মন্ত্র ৩
    রিগ্বেদ গ্রন্থ ১ এর ১৮ অধ্যায়ের মন্ত্র 9
    রিগ্বেদ গ্রন্থ ১ এর ১০৬ অধ্যায়ের মন্ত্র ৪
    রিগ্বেদ গ্রন্থ ১ এর 142 অধ্যায়ের মন্ত্র 3
    আরো অনেক জায়গায় বলছে নরা শাংসা
    নর মানে মানুষ শাংসা মানে প্রসংশিত।
    মানে মুহাম্মদ অর্থও প্রশংসিত।।।

    1. দেবাদিদেব মহাদেবের দুই রূপ , সাকার এবং নিরাকার । মুসলিম রা এই নিরাকার রূপ কেই মানে । আর হিন্দুরা এই নিরাকার রূপের প্রতীক শিব লিঙ্গকে পূজা করি । সুতরাং না জেনে নিজের মন গড়া কথা বলবেন না ।

  9. অল্লোপনিষদের লেখাগুলো দেখলেও হাসি পায়। “আরবি ও সংস্কৃত” শব্দ সব একদম “পাচঁমেশালি সবজি” ও “জগা খিচুড়ি” এর মতো করে লেখা। 😆😆😆 কোন মূর্খ যে এই উপনিষদ লিখেছে কে জানে !! 😏

    { যে সব মানুষ অল্লোপনিষদ নিয়ে নাচানাচি করে তারা মূলত সম্রাট আকবরকে “রাসুল” মেনে নিচ্ছে। যা ইসলামের মৌলিক সিদ্ধান্তের বিপরীতে যাচ্ছে।

    স্বামী দয়ানন্দ সরস্বতী তার “সত্যার্থ প্রকাশ” গ্রন্থে বলেছেন যে– অল্লোপনিষদ “উপনিষদ” শাস্ত্রের অন্তর্ভুক্ত নয়। এমনকি এটি অথর্ববেদের সঙ্গেও যুক্ত নয়। এটি মুঘল যুগে সম্রাট আকবরের শাসনকালে রচিত হয়েছিল। }

  10. ইসলাম ধর্মের কুরান যে একবারে সম্পূর্ণ বৈজ্ঞানিক ভাবে সত্য তাও ও ত নাহ।

    আমরা জানি চাঁদ সূর্যের আলোকে প্রতিফলিত করে তার নিজের কোন আলো নাই!!

    কিন্তু এইখানে ইসলামের নিম্ন বর্নিত সুরায় বলছে চাদের ও নাকি আলো আছে🤣
    সূরা ইউনুস আয়াত ৫
    অনুবাদসমূহঃ

    তিনিই সূর্যকে করেছেন দীপ্তিময় এবং চাঁদকে আলোময়… । -(আল বায়ান ফাউন্ডেশন, )
    তিনি সূর্যকে করেছেন তেজোদীপ্ত, আর চন্দ্রকে করেছেন আলোকময়… -(তাইসিরুল)
    আল্লাহ এমন, যিনি সূর্যকে দীপ্তিমান এবং চাঁদকে আলোকময় বানিয়েছেন… -(মুজিবুর রহমান)
    তিনিই সে মহান সত্তা, যিনি বানিয়েছেন সুর্যকে উজ্জল আলোকময়, আর চন্দ্রকে স্নিগ্ধ আলো বিতরণকারীরূপে… (Muhiuddin Khan)
    Pickthall : sun a splendour and the moon a light
    Yusuf Ali: the sun to be a shining glory and the moon to be a light (of beauty)
    Shakir: the sun a shining brightness and the moon a light
    Muhammad Sarwar: the sun radiant and the moon luminous
    Sahih International: the sun a shining light and the moon a derived light and determined for it phases

    1. সুরা ইউনুস আয়াত ৫ এ বলা আছে: তিনিই সূর্যকে করেছেন দীপ্তিময় এবং চাঁদকে আলোময় আর তার জন্য নির্ধারণ করেছেন
      বিভিন্ন মনযিল, যাতে তোমরা জানতে পার বছরের গণনা এবং (সময়ের) হিসাব। আল্লাহ এগুলো অবশ্যই যথার্থভাবে সৃষ্টি করেছেন। জ্ঞানী সম্প্রদায়ের জন্য তিনি আয়াতসমূহ বিস্তারিতভাবে বর্ণনা করেন। (আল-বায়ান) এখানে বলা হয়েছে আলোকময় কখনো বলা হয়নি নিজস্ব আলো। আসুন আরেকটা আয়াত দেখি

      ৬১. কত বরকতময় তিনি যিনি নভোমণ্ডলে সৃষ্টি করেছেন বিশাল তারকাপুঞ্জ এবং তাতে স্থাপন করেছেন প্ৰদীপ (সূর্য) ও আলো বিকিরণকারী চাঁদ। সুরা ফুরকান আয়াত ৬১ (আল বায়ান)। এখানে প্রদীপ বলতে সূর্য কে বলা হয়েছে। ভাই কুরআন এ কখনো বলা হয়নি চাঁদের নিজস্ব আলো আছে আশা করি বুঝতে পেরেছেন

      1. ভাই এসব কাফেরের বাচ্চা গুলারে বুঝাই লাভ নাই মোটামুটি এগুলোর জন্য আল্লাহ আগে থেকে জাহান্নাম রেডি করে রাখছে

        খালাতো বলে দিছে আমি মানুষ এবং জিন উভয় দ্বারা জাহান্নাম পরিপূর্ণ করব

        সেজন্যই আল্লাহ হিন্দু বা অন্যান্য ধর্মালম্বীদেরকে এত সহজে হেদায়েত দেয় না

        এমনকি আমাদের মুসলিমদের মধ্যে অনেক জন নাস্তিক হচ্ছে তাদের থেকেও হয়তোবা আল্লাহ হেদায়েত তুলে ফেলছে

      2. ভাই এসব কাফেরের বাচ্চা গুলারে বুঝাই লাভ নাই মোটামুটি এগুলোর জন্য আল্লাহ আগে থেকে জাহান্নাম রেডি করে রাখছে

        আল্লাহ তো বলেই দিছে আমি মানুষ এবং জিন উভয় দ্বারা জাহান্নাম পরিপূর্ণ করব

        সেজন্যই আল্লাহ হিন্দু বা অন্যান্য ধর্মালম্বীদেরকে এত সহজে হেদায়েত দেয় না

        এমনকি আমাদের মুসলিমদের মধ্যেও অনেক জন নাস্তিক হচ্ছে তাদের থেকেও হয়তোবা আল্লাহ হেদায়েত তুলে ফেলছে

    2. সুরা ইউনুস আয়াত ৫ এ বলা আছে: তিনিই সূর্যকে করেছেন দীপ্তিময় এবং চাঁদকে আলোময় আর তার জন্য নির্ধারণ করেছেন
      বিভিন্ন মনযিল, যাতে তোমরা জানতে পার বছরের গণনা এবং (সময়ের) হিসাব। আল্লাহ এগুলো অবশ্যই যথার্থভাবে সৃষ্টি করেছেন। জ্ঞানী সম্প্রদায়ের জন্য তিনি আয়াতসমূহ বিস্তারিতভাবে বর্ণনা করেন। (আল-বায়ান) এখানে বলা হয়েছে আলোকময় কখনো বলা হয়নি নিজস্ব আলো। আসুন আরেকটা আয়াত দেখি

      ৬১. কত বরকতময় তিনি যিনি নভোমণ্ডলে সৃষ্টি করেছেন বিশাল তারকাপুঞ্জ এবং তাতে স্থাপন করেছেন প্ৰদীপ (সূর্য) ও আলো বিকিরণকারী চাঁদ। সুরা ফুরকান আয়াত ৬১ (আল বায়ান)। এখানে প্রদীপ বলতে সূর্য কে বলা হয়েছে। ভাই কুরআন এ কখনো বলা হয়নি চাঁদের নিজস্ব আলো আছে আশা করি বুঝতে পেরেছেন ধন্যবাদ

    3. সুরা ইউনুস আয়াত ৫ এ বলা তিনিই সূর্যকে করেছেন দীপ্তিময় এবং চাঁদকে আলোময় আর তার জন্য নির্ধারণ করেছেন বিভিন্ন মনযিল, যাতে তোমরা জানতে পার বছরের গণনা এবং (সময়ের) হিসাব। আল্লাহ এগুলো অবশ্যই যথার্থভাবে সৃষ্টি করেছেন। জ্ঞানী সম্প্রদায়ের জন্য তিনি আয়াতসমূহ বিস্তারিতভাবে বর্ণনা করেন। আল-বায়ান।
      এখানে বলা হয়নি যে নিজের আলো আছে বরং বলা হয়েছে আলোকময় বা (বিকিরিত)
      আসুন আরেকটা আয়াত দেখি

      ৬১. কত বরকতময় তিনি যিনি নভোমণ্ডলে সৃষ্টি করেছেন বিশাল তারকাপুঞ্জ এবং তাতে স্থাপন করেছেন প্ৰদীপ(সূর্য ) ও আলো বিকিরণকারী চাঁদ। সুরা ফুরকান আয়াত ৬১ (আল বায়ান) এখানে প্রদীপ বলতে সূর্য কে বলা হয়েছে । আর কুরআন এ কখনো বলা হয়নি যে চাঁদের নিজের আলো আছে বরং বলা হয়েছে বিকিরিত আলো। আশা করি বুঝতে পেরেছেন।।

    4. আরে ভাই না বুঝে অনলাইন থেকে কপি পেস্ট করার কী দরকার,?
      চাঁদ কে বলা হয়েছে,,, নূর,,, এর অর্থ ধার করা আলো,,,!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *